

জ্বালানি সংকটকে বৈশ্বিক সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট দেখিয়ে দিয়েছে, সব দেশ একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। কোনো দেশই একা এই সংকট মোকাবিলা করতে পারবে না। এজন্য সুসংগঠিত আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক উদ্যোগ প্রয়োজন।’
সংকট মোকাবিলায় সরকারের নেওয়া নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে কিছু স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপ নিয়েছি। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি অফিসের সময় ও কেনাকাটা নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি আমদানি তদারকি এবং অপচয় রোধে ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ।’
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘বর্তমান এই জ্বালানি সংকট ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের চেয়েও ভয়াবহ আকার নিতে পারে। সেই সময়কার সংকট অনেক দেশের উন্নয়ন থমকে দিয়েছিল। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে যে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে, বর্তমান সংকট সেই অর্জনকে হুমকির মুখে ফেলছে।’
সম্মেলনটি আয়োজনের জন্য জাপানের প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান তারেক রহমান।
অনলাইন এ সামিটে ভারত, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান ও প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এছাড়া ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি (আইইএ) এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।





