অনলাইন ডেস্ক:
যেসব এলাকায় গ্যাস সংকট দেখা দিচ্ছে- ওইসব এলাকায় বসবাসকারীদের এলপিজি ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
বুধবার (১৩ মার্চ) বিদ্যুৎ ভবনে অনুষ্ঠিত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। রমজান, গ্রীষ্মকাল ও সেচ মৌসুমে বিদ্যুৎ ও শিল্প শ্রেণিতে গ্যাস বরাদ্দ সংক্রান্ত এ সভা হয়।
রাজধানীর বেশিরভাগ এলাকায় গ্যাসের সরবরাহ খুবই কম। রমজানে অনেক এলাকায় সেহরি ও ইফতারের খাবার বানাতে পারছে না, এ বিষয়ে কোনো পরিকল্পনা আছে কি না জানকে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘যেসব বাসা-বাড়িতে গ্যাসের সংযোগ আছে, যেহেতু আমাদের একটি মাত্র এফএসআরইউ কাজ করছে, ৩০ মার্চের আগে আরেকটি এফএসআরইউ আসবে না। সুতরাং আমাদের যে আমদানি করা গ্যাস ছিল, ২০ শতাংশ আমরা আমদানি করতাম, তার মধ্যে ১০ শতাংশ কমে গেছে। আমাদের নিজেদের যে গ্যাস ছিল তার থেকেও আমাদের উত্তোলন কমে গেছে। এগুলোকে বিবেচনায় এনে বাসা-বাড়ির গ্যাসের ব্যাপারে আমাদের বিকল্প একটা সমাধান তো আছেই, এলপিজি। সবাইকে অনুরোধ করবো, যেসব এলাকায় গ্যাসের স্বল্পতা দেখা যাচ্ছে তারা যেন এলপিজি ব্যবহারের দিকে নজর দেন।’
আগে দেখা গেছে এসব ক্ষেত্রে বড় কল-কারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হতো। এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কি না জানতে চাইলে নসরুল হামিদ বলেন, ‘শিল্প এলকায় আমরা (গ্যাস) বন্ধ করছি না। কারণ শিল্প এলাকার বিষয়ে আমাদের কোনো বিধিনিষেধ থাকছে না। মার্কেটেও কোনো টাইমলাইন ঠিক করছি না। আগে যেমন ছিল তেমনটাই টাইমলাইন থাকবে মার্কেটের। কেবল সিএনজি পাম্প বিকেল চারটা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে, সে ব্যাপারে আমরা নজরদারি করবো। সেচ পাম্পগুলো যেন রাত ১২টা থেকে ভোর ছয়টা পর্যন্ত বা আটটা পর্যন্ত চালু রাখতে পারে।’





