৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভায় 

20

 

ঢাকা: বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরকে পুনরায় ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

একই সঙ্গে এই দিনটিকে ‘ক-শ্রেণি’ ভুক্ত দিবস হিসেবে ঘোষণা করে পুনরায় সরকারি ছুটি পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এ তথ্য জানান।

ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘মন্ত্রিসভার বৈঠকে ৭ নভেম্বরকে পূর্বের ন্যায় ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বিগত ১৬ বছর এই দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হয়নি। এখন থেকে এটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হবে এবং এ দিন সরকারি ছুটি থাকবে।’

প্রসঙ্গত, ঐতিহাসিক ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার স্বতঃস্ফূর্ত বিপ্লবের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এক অনন্য অধ্যায় রচিত হয়েছিল। সেই চেতনাকে সমুন্নত রাখতেই সরকার এই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আধিপত্যবাদ ও ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল জিয়াউর রহমানের হাত ধরে বাংলাদেশ এক নতুন পথে যাত্রা শুরু করেছিল। দীর্ঘ দেড় যুগ পর বর্তমান সরকার সেই ছুটি ও দিবসের মর্যাদা পুনর্বহাল করল।

মন্ত্রিসভায় এই সিদ্ধান্তের পাশাপাশি, ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন এবং প্রতি বছরের ৬ জুলাইকে ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পূর্বের খবরসংসদে সংরক্ষিত নারী আসন ঘিরে সক্রিয় ৯ নেত্রী, এগিয়ে উম্মে সালমা ডরোথি