ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় স্বেচ্ছাশ্রমে ঝুঁকিপূর্ণ আউরা খালের সেতু মেরামত

428

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলা সদরের দক্ষিণ আউরা খালের উপর অবস্থিত ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজটি ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রমে মেরামত করেছেন। শনিবার (৯ আগস্ট) সকাল ১১টায় এলাকাবাসী বাঁশ দিয়ে ব্রিজটির সংস্কার কাজ সম্পন্ন করেন।

১৯৬১ সালে এ ব্রিজটি নির্মাণ করে। দীর্ঘ ৬৫ বছর পেরিয়ে গেলেও এর উল্লেখযোগ্য কোনো সংস্কার হয়নি। পুরোনো লোহার এ ব্রিজে একজন মানুষ পার হওয়ার সময় দুলে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। অথচ ব্রিজটির পূর্ব পাশে মাত্র ১০ মিটার দূরত্বে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিস, ভূমি অফিস, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, বিআরডিবি, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, উপজেলা পরিষদ, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা অবস্থিত। এসব প্রতিষ্ঠানে আগত শত শত মানুষকে প্রতিদিন এই বিপজ্জনক ব্রিজটি ব্যবহার করতে হয়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অতীতে বহুবার শিক্ষার্থী ও পথচারী ব্রিজ থেকে পড়ে খালে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। দীর্ঘদিন উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদে ধরনা দিয়েও কোনো সমাধান না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে তারা নিজেরাই বাঁশ দিয়ে ব্রিজটি মেরামত করেছেন। এলাকাবাসী দ্রুত ব্রিজটি ভেঙে কংক্রিট গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানান।

কাঠালিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ হারুন অর রশিদ বলেন, “১৯৬১ সালে এ ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়। গত ১৭ বছরে কয়েকটি স্ল্যাব পরিবর্তন ছাড়া অন্য কোনো সংস্কার হয়নি।” স্থানীয় ওষুধ ব্যবসায়ী মোঃ নাহিদ ইসলাম বলেন, “এ ব্রিজ পারাপারের সময় বহু শিক্ষার্থী ও পথচারী পড়ে গিয়ে আহত হয়েছেন।”

 

 

সামাজিক আন্দোলন কাঠালিয়ার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ অমিত হাসান তুহিন বলেন, “উপজেলা পরিষদ থেকে মাত্র ১০ গজ দূরে এ ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ অবস্থিত। আমরা অস্থায়ী সংস্কার চাই না—এখানে একটি স্থায়ী গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের জোর দাবি জানাচ্ছি।”

চিশতিয়া দরবারের প্রধান খাদেম মোঃ মেহেদী হাসান উজ্জ্বল বলেন, “ব্রিজটি এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ যে, বৃদ্ধ, রোগী ও শিশুরা সহজে পারাপার করতে পারছেন না।”

পূর্বের খবরবিএনপির কাছে নিরপেক্ষ মানুষও ভালো কিছু প্রত্যাশা করে : তারেক রহমান
পরবর্তি খবরতারেক রহমানই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী :মির্জা ফখরুল