তিনি বলেন, নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী সাহেব আমাদের জাতীয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নেতা। আমি কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে খুব পছন্দ করি, তিনি মুখের ওপর সব কথা বলতে পারেন। রেয়ার কোয়ালিটি। একটা জিনিস, ওনার এই ধরনের কথা শুনে আমরা অভ্যস্ত। একদম আমরা কাইন্ড অব রেজিস্ট্যান্স হ্যাভ। আমাদের সঙ্গে দেখা করতেন, দেখা করে দরজার বাইরে গিয়ে আমাদেরকে গালি দিতেন। এই গালি আপনাদের কাছে নতুন। অনেকের কাছে নতুন হতে পারে। আমি বিশ্বাস করেন, অনেস্টলি স্পিকিং, আমি সামান্যতমও মন খারাপ করিনি। উনি যেটা ফিল করেছেন, ওনার পারসপেকটিভ থেকে যেটা দেখেছেন, উনি যেটা অন্তরে বিশ্বাস করেছেন, সেটা উনি বলেছেন। এটাই তো গণতন্ত্র, এটাই তো গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। উনি যেটা ফিল করেন, তা বলার সুযোগ দেওয়াটাই তো গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। এজন্য আমি একদম আহত হইনি।
সিইসি বলেন, আমাদের কিছু লুকানোর নাই তো। অলমাইটি নোজ। আমরা তো একটা সিরাতুল মুস্তাকিমের মধ্যে ছিলাম। আমাদের অফিসাররা এখানে যারা কাজ করেন, দয়া করে একটু গোয়েন্দাগিরি করেন, একটু খোঁজখবর নেন না, আমাদের অফিসারদের কাছ থেকে আমরা কোনো পার্শিয়াল করে, কোনো পক্ষপাতিত্ব করে কোনো সিদ্ধান্ত কোনো সময় নিয়েছি কি-না। আমরা সবাই মিলে তো সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা আইন-কানুনের প্রতি অঙ্গীকারাবদ্ধ ছিলাম। আমার বিবেকের কাছে আমি পরিষ্কার কিনা, সেটা একটা বিষয়। সর্বোপরি আমাকে ভাই মাটির নিচে যেতে হবে। তারপর আমাকে জবাবদিহি করতে হবে। আমাকে ফাইনাল জবাবদিহি করতে হবে। এটা আমার সব সময় মাথার মধ্যে কাজ করে। সুতরাং আমাদের ভুল হতে পারে। কারণ আমরা তো ফেরেশতা নই। আমাদের ভুল-ত্রুটি হতে পারে, সেটা কিন্তু কোনো ডিজাইন নিয়ে কাজ করিনি। আমাদের ডিজাইন একটাই- একটা ফ্রি, ফেয়ার অ্যান্ড ক্রেডিবল ইলেকশন। একটা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ফর অল দ্য ক্যান্ডিডেটস। এটাই ছিল আমাদের নিয়ত এবং সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করেছি।
সিইসি বলেন, এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমি বলতে চাই, আপনারা হয়তো অন্যভাবে নেবেন না। কোনো ইলেকশনে সরকারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকার ছাড়া নির্বাচন করা অলমোস্ট ইমপসিবল। যত স্টেকহোল্ডার আছে, তার মধ্যে সরকার একটা বড় স্টেকহোল্ডার। কারণ আপনার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থেকে শুরু করে যারা কাজে থাকে, সবাই তো সরকারি লোক। প্রশাসনের লোকও সব সরকারের লোক। সরকারের এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। সেই সাপোর্টটা আমরা আগের সরকারের কাছ থেকে পেয়েছি। এখানে আমার বলতে কোনো রকম দ্বিধা নেই। আগের যে অন্তর্বর্তী সরকার ছিল, তারা ফুল সাপোর্ট দিয়েছেন আমাদের। কোনো রকম ইন্টারফেয়ারেন্স তারা করেননি।
অনুষ্ঠানে আরএফইডির সভাপতি কাজী এমাদ উদ্দীন জেবেল, বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ইকরাম-উদ দৌলা, চার নির্বাচন কমিশনার, বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন ও সংস্থা এবং আয়োজক সংগঠনের নেতা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।





