গাজীপুর সিটির টঙ্গীর কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে মারুফ আহমেদ (১৬) নামে এক কিশোর বন্দির মৃত্যু হয়েছে। তার বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রামে। গতকাল বুধবার বন্দি মারুফ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মারুফের পরিবারের অভিযোগ নির্যাতন করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, মাত্র দুই সপ্তাহ ধরে টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে বন্দি ছিলেন নয়ন।

গাজীপুর প্রতিনিধিঃ টঙ্গীতে অবস্থিত শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের মারুফ আহমেদ (১৬) নামে এক কিশোর বন্দি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। পরিবারের অভিযোগ নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।
নিহত মারুফ কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলার মো. রফিক আহমদের ছেলে। সে ঢাকার খিলক্ষেত এলাকার দর্জিবাড়ি নামক স্থানে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করত।
শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সানারুল হক সুরতহাল রিপোর্টে উল্লেখ করেন, ওই কিশোরের ডান চোখের পাশে কালো দাগ ছিল। ডান ও বাম হাতের কনুইতে দাগ ছিল, দুই পায়ের বিভিন্ন স্থান ফুলা ছিল। আজ বৃহস্পতিবার মারুফের ময়নাতদন্ত হবে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।
প্রাথমিক তদন্তে এসআই সুরতহালে উল্লেখ করেন, গাজীপুর টঙ্গি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের (বালক) তত্ত্বাবধায়ক মো. দেলোয়ার হোসেনের অপমৃত্যু মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, খিলক্ষেত থানার মামলা নম্বর ২৯(১)২৪, ২৮/১/২৪। উক্ত বন্দি গত ১০ ফেব্রুয়ারি দুপুরে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে অসুস্থ হয়ে পরে। সঙ্গে সঙ্গে তাকে টঙ্গী শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ৬০১ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে সে মারা যায়।
এ বিষয়ে টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, বন্দি মারুফ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ সত্য নয়।





