প্রবীণ রাজনীতিক বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির উপদেষ্টা হায়দার আকবর খান রনো আর নেই। শ্বাসতন্ত্রের নানা জটিলতায় ভুগতে থাকা এই রাজনীতিককে গত ৬ মে পান্থপথের হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স নিউজ২১বিডি.নেট কে বলেন, “রনো ভাই আর নেই। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসধীন অবস্থায় শুক্রবার রাত ২টা ৫ মিনিটে মারা গেছেন।”
![]()
ঢাকাঃ বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) উপদেষ্টা হায়দার আকবর খান রনো মারা গেছেন। শুক্রবার রাত পৌনে ২টায় রাজধানীর হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন প্রবীণ এ রাজনীতিক ও লেখক।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসতন্ত্রের নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পরিবারের সদস্যরা দেশের বাইরে থাকায় মরদেহ সোমবার পর্যন্ত শমরিতা হাসপাতালের মর্গে রাখা হবে।
স্বজনরা দেশে ফিরলে শহিদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য নেওয়া হবে এই প্রবীণ রাজনীতিবিদের মরদেহ। এর পর বাবা-মায়ের কবরের পাশে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে হায়দার আকবর খান রনোকে।
উল্লেখ্য, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও নেতা হায়দার আকবর খান রনো একাধিক বইয়ের লেখক। মার্ক্সবাদী এই তাত্ত্বিক পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। হায়দার আকবর খান রনোর জন্ম ১৯৪২ সালের ৩১ আগস্ট অবিভক্ত ভারতের কলকাতায়। তার পৈতৃক নিবাস নড়াইলের বরাশুলা গ্রামে।
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সঙ্গে দীর্ঘদিন থাকলেও ২০১০ সালে মতভিন্নতার কারণে দলটি ছেড়ে হায়দার আকবর খান সিপিবিতে যোগ দেন। ২০১২ সালে তাকে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য করা হয়। এর পর তিনি সিপিবির উপদেষ্টা নির্বাচিত হন।
হায়দার আকবর খান রনো ছিলেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট বামপন্থী নেতা এবং কমিউনিস্ট আন্দোলনের অন্যতম প্রবাদ পুরুষ। তিনি বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ছিলেন। তিনি একাধারে তাত্ত্বিক, বুদ্ধিজীবী এবং বহু গ্রন্থের লেখক। তিনি বাংলা একাডেমির কাছ থেকে ২০২২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।বামপন্থী





