মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে। আমরা যথাযথ নিরাপত্তা চাই এবং তারাও নিরাপত্তা দিতে কাজ করছেন। তৈরি পোশাক শিল্প এলাকায় নতুন করে এক হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হচ্ছে, যার বড় অংশ থাকে আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে।
এর আগে শ্রমিক নেতারা কাজে ফেরার আহ্বান জানানোর ফলে শনিবার পরিস্থিতি উন্নতি হতে থাকে। শনিবারও আশুলিয়ায় অন্তত ৪৩টি তৈরি পোশাক কারখানা বন্ধ ছিল। গত কয়েক দিনের তুলনায় শনিবার পরিস্থিতি অনেক উন্নত হয়। যদিও কিছু কারখানা বন্ধ ছিল, তবে কোনো ধরনের ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেনি। পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের যথেষ্ট উপস্থিতি ছিল।
এরপর আশুলিয়ার সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ৮ সেপ্টেম্বর থেকে আশুলিয়ার সব কারখানা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত হলো।






