দেশে গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচক আরএসএফ-এর র্যাঙ্কিংয়ে অবনতির দায় বিএনপি সরকারের নয়। ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া শত শত ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে বাংলাদেশের ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান বাংলাফ্যাক্ট। ভুল তথ্য ও পুরানো ভিডিও ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট।

ঢাকা : আরএসএফ-এর গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচক ২০২৬ সালের র্যাঙ্কিংয়ে অবনতির দায় বিএনপি সরকারের নয় বলে শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট।
বাংলাফ্যাক্ট জানায়, আরএসএফ-এর গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচক ২০২৬ সালের র্যাঙ্কিংয়ে অবনতির দায় বিএনপি সরকারের নয়। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচক – ২০২৬ মূলত ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়কালের ওপর ভিত্তি করে তৈরী করা হয়েছে। তখন বিএনপি সরকার ক্ষমতায় ছিল না।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত হয়। সেই নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর সরকার গঠন করে বিএনপি।
বাংলাফ্যাক্ট জানায়, সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করা প্যারিসভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স (আরএসএফ)-এর ২০২৬ সালের সূচক অনুযায়ী, বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত হয়েছে। সূচকে এ বছর বাংলাদেশ তিন ধাপ পিছিয়ে ১৮০টি দেশের মধ্যে ১৫২তম অবস্থানে রয়েছে। গত বছর বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৪৯তম।
বাংলাফ্যাক্ট অনুসন্ধান টিম জানায়, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থানের এই অবনতির জন্য অনলাইনে বিএনপি সরকারকে দায়ী করে বিভিন্ন প্রচার চালানো হচ্ছে।
আওয়ামী লীগের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ থেকেও ‘গণমাধ্যমের কবর খুঁড়ছে বিএনপির “নতুন বাংলাদেশ”!’ শিরোনামে একটি লেখা পোস্ট করা হয়েছে, যেখানে সূচকের তিন ধাপ অবনতির জন্য বিএনপি সরকারকে দায়ী করা হয়েছে।
তবে বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স (আরএসএফ)-এর ২০২৬ সালের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৫২তম হওয়ার পেছনে বর্তমান বিএনপি সরকারের কোনো দায় নেই। আরএসএফ-এর মূল্যায়ন পদ্ধতি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি সাধারণত সূচক প্রকাশের পূর্ববর্তী ক্যালেন্ডার বছরের (জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর) তথ্যের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করে থাকে। অর্থাৎ, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচক – ২০২৬ মূলত ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়কালের ওপর ভিত্তি করে তৈরী করা হয়েছে।
ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশ ও প্রবাস থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং কিছু ফেসবুক পেজ থেকে বাংলাদেশকে ঘিরে নানা ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে। এসব অপতথ্য বিশেষ করে বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, চব্বিশের আন্দোলনে অংশ নেওয়া দল ও সংগঠনকে লক্ষ্য করে ছড়ানো হয়। পাশাপাশি সাম্প্রতিক নানা বিষয়ে বিএনপি ও নবনির্বাচিত বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে গুজব মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত করা হচ্ছে।
‘বাংলাফ্যাক্ট’ প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ পিআইবি’র ফ্যাক্টচেক, মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিম, যারা নিয়মিত ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই করে সত্য তুলে ধরে এবং গণমাধ্যম ও সংবাদ নিয়ে গবেষণা করে।
পুরানো ভিডিও ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত : বাংলাফ্যাক্ট

পুরানো ভিডিও ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট।
বাংলাফ্যাক্ট জানায়, ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি মিডিয়ার সামনে কথা বলেছে দাবি করে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ’ভারতে শেখ হাসিনার মিডিয়ার সঙ্গে প্রকাশ্যে সাক্ষাৎকার’ নামে ছড়ানো ভিডিওটি সাম্প্রতিক সময়ের নয়, এমনকি এটি ভারতেরও নয়। মূলত, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গণভবনে দেশি-বিদেশি সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে আয়োজিত একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভার ভিডিও এটি।
ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশ ও প্রবাস থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং কিছু ফেসবুক পেইজ থেকে বাংলাদেশকে ঘিরে নানা ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে।
পাশাপাশি সাম্প্রতিক নানা বিষয়ে বিএনপি ও নবনির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে গুজব মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত করা হচ্ছে।
জানা যায়, সম্প্রতি, ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন দাবী করে একটি তথ্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো হচ্ছে।
বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, দাবীটি সঠিক নয়। ব্যারিস্টার সুমন এখনও কারামুক্ত হননি। তার বিরুদ্ধে মোট সাতটি মামলা ছিল। গত ১১ মে একটি মামলায় জামিন পান। এখনও তার বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা থাকায় আপাতত কারামুক্ত হতে পারছেন না তিনি।
কফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশ ও প্রবাস থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং কিছু ফেসবুক পেজ থেকে বাংলাদেশকে ঘিরে নানা ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে।
পাশাপাশি সাম্প্রতিক নানা বিষয়ে বিএনপি ও নবনির্বাচিত বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে গুজব মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত করা হচ্ছে।
‘বাংলাফ্যাক্ট’ প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ পিআইবি’র ফ্যাক্টচেক, মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিম, যারা নিয়মিত ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই করে সত্য তুলে ধরে এবং গণমাধ্যম ও সংবাদ নিয়ে গবেষণা করে।
বাংলাদেশে চলমান গুজব এবং ভুয়া খবর, অপতথ্য প্রতিরোধ এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ায় দায়িত্ব পালন করছে, ‘বাংলাফ্যাক্ট’ প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ পিআইবি’র ফ্যাক্টচেক, মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিম, যারা নিয়মিত ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই করে সত্য তুলে ধরে এবং গণমাধ্যম ও সংবাদ নিয়ে গবেষণা করে।
ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া শত শত ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে বাংলাদেশের ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান বাংলাফ্যাক্ট। বাংলাদেশে চলমান গুজব এবং ভুয়া খবর, অপতথ্য প্রতিরোধ এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ায় দায়িত্ব পালন করছে বাংলাফ্যাক্ট।





