সরকার গ্রাম আদালতকে গতিশীল করতে নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে

18
অনলাইন ডেস্কঃ

গ্রাম আদালতের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দেশের প্রতিটি জেলায় ‘সেরা গ্রাম আদালত কার্যক্রম পরিচালনাকারী ইউনিয়ন পরিষদ ও সেরা চেয়ারম্যান’ নির্বাচন করবে সরকার।

সম্প্রতি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হয়। এ উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রাম আদালতের কার্যক্রমে ইউনিয়ন পরিষদগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ সৃষ্টি এবং ভালো কার্যক্রম পরিচালনাকারীদের স্বীকৃতি ও পুরস্কার দেওয়ার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ’ প্রকল্পের আওতায় গ্রাম আদালতের কার্যক্রমে উৎসাহজনক অর্জনকারী ইউনিয়ন পরিষদগুলোকে চিহ্নিত করে স্বীকৃতি ও পুরস্কার দেয়া হবে। এর ফলে অন্যান্য ইউনিয়ন পরিষদও গ্রাম আদালতের কার্যক্রমে আরও সক্রিয় ও মানসম্মতভাবে অংশগ্রহণে উৎসাহিত হবে।

 

 

 

জেলা প্রশাসকদের নিজ নিজ জেলার আওতাধীন ইউনিয়ন পরিষদগুলোর মধ্য থেকে নির্ধারিত বহুসূচক ও মানদণ্ডের ভিত্তিতে সেরা গ্রাম আদালত কার্যক্রম পরিচালনাকারী ইউনিয়ন পরিষদ ও সেরা চেয়ারম্যান নির্বাচন করতে বলা হয়েছে। নির্বাচিত ইউনিয়ন পরিষদ ও চেয়ারম্যানকে স্থানীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি ও পুরস্কার দেয়ার মাধ্যমে উৎসাহিত করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

সেরা নির্বাচন করতে গ্রাম আদালতের মাধ্যমে দায়ের হওয়া মোট মামলার সংখ্যা, নারী আবেদনকারীর সংখ্যা, মামলা নিষ্পত্তির হার, সালিশের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি, ফি ও জরিমানা আদায়ের ক্ষেত্রে বিধিবিধান অনুসরণের সক্ষমতা এবং গ্রাম আদালত পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় বিশেষ ফান্ড বা অনুদানের যথাযথ ব্যবহারসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নেয়া হবে। এছাড়া মামলা ও বিরোধ নিষ্পত্তি-সংক্রান্ত নথি সংরক্ষণ, লিখিত তথ্য সংরক্ষণ এবং গ্রাম আদালতের কার্যক্রম ব্যবস্থাপনায় দক্ষতাকেও মূল্যায়নের আওতায় আনা হবে।

পরিপত্রে গ্রাম আদালতের কার্যক্রমে সহায়তাকারী ইউপি সচিব এবং হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটরের মাসিক সম্মানী ও যাতায়াত ভাতা বৃদ্ধির প্রস্তাবের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দেশের সব জেলা প্রশাসকের কাছে পরিপত্রটি পাঠানো হয়েছে।

পূর্বের খবররাষ্ট্রপতির সঙ্গে বঙ্গভবনে তিন বাহিনীর প্রধানগণের সৌজন্য সাক্ষাৎ
পরবর্তি খবরমহানবীর বিদায় হজের ভাষণ সমগ্র মানবজাতির কল্যাণে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক : রাষ্ট্রপতি