মমতা জানালেন, বাংলাদেশের সঙ্গে তিস্তার পানি বণ্টন সম্ভব নয়

172

 

 

তিস্তা প্রসঙ্গে মমতা লিখেছেন, ‘‘আমি বুঝতে পেরেছি, ভারত সরকার ভারত-বাংলাদেশ ফারাক্কা চুক্তি (১৯৯৬) পুনর্নবায়নের প্রক্রিয়ায় রয়েছে; যার মেয়াদ ২০২৬ সালে শেষ হতে চলেছে। আপনি জানেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পানি বণ্টনের পরিমাণ নির্ধারণের এই চুক্তির পশ্চিমবঙ্গের মানুষের ওপর বিশাল প্রভাব রয়েছে।” পশ্চিমবঙ্গের জনগণ এই ধরনের চুক্তিতে ‌‌সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বলেও চিঠিতে উল্লেখ করেছেন তিনি। গত কয়েক বছর ধরে তিস্তায় পানির প্রবাহ কমে গেছে এবং ধারণা করা হচ্ছে— যদি বাংলাদেশের সাথে পানি ভাগাভাগি করা হয়, তাহলে উত্তরবঙ্গের লাখ লাখ মানুষ সেচের পানির অপ্রতুলতার কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।“এছাড়া উত্তরবঙ্গের বাসিন্দাদের পানীয় জলের চাহিদা মেটাতেও তিস্তার পানির প্রয়োজন। তাই বাংলাদেশের সঙ্গে তিস্তার পানি ভাগাভাগি করা সম্ভব নয়”।

 

তিস্তার পানি আরও সরাতে নতুন করে খাল বানাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ

তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্পের আওতায় আরও দু’টি খাল খননের জন্য প্রায় এক হাজার একর পরিমাণ জমির মালিকানা পেয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের সেচ বিভাগ। কৃষি কাজের জন্য তিস্তা থেকে পানি সরিয়ে নিতে সেচ বিভাগকে এই জমির মালিকানা দিয়েছে রাজ্য সরকার।
পূর্বের খবরসরকার বলছে দেশে মসজিদ আছে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ
পরবর্তি খবরক্যাব বলছে, দেশে বোতলজাত পানির মূল্যবৃদ্ধি অযৌক্তিক ও অন্যায্য