নিজস্ব প্রতিনিধিঃ টানা এক মাস সিয়াম সাধনার পর টঙ্গীর ঐতিহাসিক বিশ্ব এস্তেমার ময়দানে ঈদ উল ফিতরের নামাজ সম্পন্ন হয়েছে। সকাল সাড়ে আটটায় টঙ্গী বাজার সংলগ্ন বিশ্ব এজতেমার ময়দানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের অনুষ্ঠিত হয়।
গাজীপুর সিটির টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমায় হাজার হাজার মুসল্লির সমন্বয়ে পবিত্র ঈদ উল ফিতরের নামাজ আদায় করা হয়। বিশ্ব এস্তেমার ময়দানে অনেকদিন পর আবারও ঈদুল ফিতরের বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমার বৃহৎ এই ময়দানে বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) ইদের দিন ভোর থেকেই সমবেত হতে শুরু করেন মুসল্লীরা। বিশ্ব এস্তেমার ময়দানে ঈদ জামাতে হাজার হাজার মুসল্লির আগমনে ঈদ জামাতে অংশগ্রহন। অনেকদিন পর আবারও ঈদুল ফিতরের জামাত বড় টঙ্গীর ঐতিহাসিক বিশ্ব এস্তেমার ময়দানে সম্পন্ন হয়েছে।

ইজতেমার মাঠের মূল অংশে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তৈরি করা মূলপ্যান্ডেল ছাপিয়ে ময়দানের চারিদিকে থেকে ধর্মপ্রাণ মুসলমান ঈদের নামাজে শরীক হন। এখানে ঈদের নামাজ আদায় করেন টঙ্গীর বিভিন্ন স্থান থেকে আসা মুসল্লীরাও। বৃহৎ এই জামাতে ইমামতি করেন টঙ্গী বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব হযরত মাওলানা আল্লামা এনায়েতুল্লাহ কাসেমী ও সাথে ছিলেন মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা প্রিন্সিপাল উদ্দিন সাহেব। নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা করে করা হয় মোনাজাত।

সাবেক মেয়র ও গাজীপুর উন্নয়ন কত্পক্ষের মাননীয় চেয়ারম্যান এডঃ আজমত উল্লাহ্ খান সাহেবের ত্বত্তাবধানে আবারও টঙ্গীর বিশ্ব এস্তেমার ময়দানে ঈদ জামাতে সকলের প্রাণচঞ্চল উপস্থিতি নজরে এসেছে। শান্তিপূর্ণভাবে ঈদের নামাজ সম্পন্ন হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেন তিনি। নামাজের পর উপস্থিত মুসল্লিদের সাথে কোলাকুলি ও কুশল বিনিময় করেন।

ঈদুল ফিতরের নামাজে সাবেক মেয়র ও গাজীপুর উন্নয়ন কত্পক্ষের মাননীয় চেয়ারম্যান এডঃ আজমত উল্লাহ্ খান ছাড়াও ঈদের জামাতে শরিক হোন গাজীপুর মহানগর পুলিশের কর্মকর্তাবৃন্দ,
বিভিন্ন স্তরের সাংবাদিক- চিকিৎসকবৃন্দ। এছাড়া গাজীপুরের জেলার বিভিন্ন সরকারী বেসরকারি দফতর ও সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ।
গাজীপুর সিটি কপো’রেশনের কাউন্সিলর গিয়াস উদিন সরকার,বিশিষ্ট সাংবাদিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এটিএম শরিফুল ইসলাম খান, মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক উপদেষ্টা কাজী মোহাম্মদ সেলিম। এডভোকেট কামাল হোসেন। আওয়ামী লীগ নেতা কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া,আফিল উদ্দিন, বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শেকানুল ইসলাম শাহী, এড. কামাল হোসেন, এড. সুমন মিয়া, পার্বত্য অঞ্চল বিশেষজ্ঞ নিজামুদ্দিন, মোঃ শাহজাহান প্রমুখ।





