বাংলাদেশ মানবপাচার রোধে নানা উদ্যোগ সত্ত্বেও পিছিয়ে রয়েছে

172
নিউজ২১ডেস্কঃ মানবপাচার রোধে অনেক ধরনের উদ্যোগ থাকা সত্ত্বেও পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মানব পাচার একটি দীর্ঘদিনের সমস্যা। এর কারণে ধর্মীয় নিপীড়ন, দারিদ্র্য, রাজনৈতিক বিভেদ, কর্মসংস্থানের অভাব, যুদ্ধ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বিশ্বায়ন।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের টিআইপি  প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মানব পাচার প্রতিরোধে উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তবে এক্ষেত্রে ন্যূনতম মানদণ্ড অর্জন করতে পারেনি। জীবিকার মানোন্নয়ন ছাড়া মানব পাচার প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়,  সরকার মানবপাচারবিরোধী ট্রাইবুনাল প্রতিষ্ঠা করেনি। ভুক্তভোগী সুরক্ষার উদ্যোগ এখনো পর্যাপ্ত নয়।  ভুক্তভোগীদের আশ্রয়কেন্দ্রে বিশেষায়িত সেবার ঘাটতি রয়েছে।

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাধারণ নিরীহ মানুষদের ফ্রি ভিসা বা কোনো ধরনের শ্রম চুক্তি ছাড়াই ভালো চাকরি, বিয়ের সুযোগসহ নানা সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে লিবিয়া, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে পাচার করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে ট্রলারে করে সমুদ্রপথে সৌদিআরব, লেবানন, বাহরাইন এবং এমন কিছু দেশে পাঠানো হয় । (ইত্তেফাক )

বাংলাদেশে বেশ কিছু বেসরকারী সংস্থা মানব পাচার রোধে সারাবছরই কাজ করে থাকে। তাদের মধ্যে ইপসা নামের একটি সংস্থার ওয়েব সাইটের তথ্য বলছে, তারা ২০০৭ থেকে ২০১০ সময়ে  ১ লাখ মানুষকে  পাচার সম্পর্কে সচেতন করতে পেরেছে।

বেসরকারী সংস্থা রামরুর একজন কর্মকর্তা বলেন, ২০২০ সালে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি মানব পাচারের ঘটনা ঘটেছে। যে কোনো সীমান্ত এলাকা থেকে পারাপারটা তুলনামুলক সহজ। ( বিবিসি )

বাংলাদেশের মানব পাচার রোধে আরো বেশি সচেতনতামূলক পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। দেশে অর্থনৈতিক জোন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি সার্বিকভাবে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমনে  বিশেষ অবদান রাখছে বলে তাদের ধারণা। জেলার কর্মসংস্থান  ও জনশক্তি অফিসগুলোকে আরো শক্তিশালী করা  প্রয়োজন।

পূর্বের খবরইসরায়েল তার বিরুদ্ধে গুজব ছড়াচ্ছে, জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের অভিযোগ
পরবর্তি খবরবিমানবন্দরে শাটল বাসসেবা চালু করল বিআরটিসি