নির্বাচনী আমেজে ৫৫তম বিজয় দিবস উদযাপন

185

এ এক নতুন উদ্দীপনা। নির্বাচনী আমেজে ৫৫তম বিজয় দিবস উৎযাপন করেছে দলমত নির্বিশেষে আমজনতা। গতকাল ছিল মহান বিজয় দিবস। ৫৪ বছর আগে এই দিনে ৯ মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীকে পরাজিত করে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটেছিল। ১৯৪৭ সালে উপনিবেশিক শাসনের অবসানের পরও এ অঞ্চলের মানুষ নানা বঞ্চনার মুখে পড়েছিল।

sharethis sharing button

 

 

ঢাকাঃ তৎকালীন ১৯৭১ সালে পাকিস্তান বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধের মাধ্যমে এই দিনে ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ আর ২ লাখ নারীর সম্ভ্রমের বিনিময়ে বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের জন্ম হয়। প্রতি বছর দিবসটি পালিত হলেও ফ্যাসিন্ট, স্বৈরশাসক এবং হিন্দুত্ববাদী ভারতের পদানত শক্তি ক্ষমতায় থাকায় এত বছর একটি রাজনৈতিক সিন্ডিকেট দিবসটি পালন নিয়ন্ত্রণ করতো। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দলমত নির্বিশেষে মুক্ত পরিবেশে বিজয়ের দিবস পালন শুরু করে জাতি। এবার বিজয় দিবসের কয়েক দিন আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচনী আমেজে জাতি মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেই দিবসটি পালন করে। যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি উদযাপনে গতকাল ভোরে রাজধানীতে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা করা হয়। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন এবং প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

এরপর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টার নেতৃত্বে বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এছাড়া, বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি কূটনীতিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষও স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বিজয় দিবস উপলক্ষে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি সারাদেশে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে উদযাপন করা হয়। দেশের বাইরেও বিদেশের মাটিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলোতেও জাতীয় পতাকা উড়ানো হয়। সন্ধ্যায় গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও স্থাপনাগুলোতে আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হয়। রাজধানীসহ দেশের প্রধান শহরগুলোর সড়ক ও সড়কদ্বীপগুলো জাতীয় পতাকা, ব্যানার ও বর্ণিল ফেস্টুনে সাজিয়ে তোলা হয়েছে।

রাজধানীর জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ফ্লাই পাস্ট, প্যারাজাম্প, অ্যারোবেটিক প্রদর্শনী ও ব্যান্ড পরিবেশন করা হয়। এতে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌ-বাহিনী ও বিমান বাহিনীর ৫৪ জন প্যারাট্রুপার বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাসহ ফ্রি ফল জাম্পের মাধ্যমে আকাশ থেকে ভূমিতে অবতরণ করেন। দিবসটি উপলক্ষে সরকার ব্যাপক কর্মসূচি পালন করে। এর মধ্যে তিন দিনব্যাপী বিজয় মেলা, রেকর্ডসংখ্যক জাতীয় পতাকা নিয়ে প্যারাশুটিং, ব্যান্ড শো এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া শিশুদের জন্য কবিতা আবৃত্তি, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

বিএনপি, এনসিপি, জামায়াতসহ নির্বাচনে অংশ নিতে প্রস্তুতি নেয়া রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের মতো করে বিজয় দিবস উদযাপন করে। কোনো দল বিজয় র‌্যালি করে এবং কেউ সভা-সেমিনার করে বিজয় দিবস উদযাপন করেন।

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগের দিন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেন। একই সঙ্গে তিনি একটি উদ্বোধনী খাম (ওপেনিং ডে কভার) ও বিশেষ সিলমোহর (ক্যানসেলার) উন্মোচন করেন। বঙ্গভবনে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বীরশ্রেষ্ঠের পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেন। এ ছাড়া মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মানে সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। দিনটি উপলক্ষে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে। রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি), বাংলাদেশ বেতারসহ অন্যান্য টেলিভিশন চ্যানেল ও রেডিওতে মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাস তুলে ধরে বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন সিনেমা হলে শিক্ষার্থীদের জন্য বিনা মূল্যে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন মিলনায়তন ও উন্মুক্ত স্থানে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সব জাদুঘর দর্শনার্থীদের জন্য বিনামূল্যে উন্মুক্ত থাকে। একই সঙ্গে দেশের সব বিনোদন কেন্দ্র শিশুদের জন্য বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ দিচ্ছে।

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিজয় দিবসের গান পরিবেশিত হয়। একই সঙ্গে দেশের ৬৪টি জেলায় নতুন প্রজন্মের শিল্পীরা স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের গান পরিবেশন করেন। দিনটি উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, বাংলা একাডেমি, জাতীয় জাদুঘর, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শিশুদের চিত্রাঙ্কন, রচনা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোও দিনটির তাৎপর্য তুলে ধরে অনুরূপ কর্মসূচি গ্রহণ করে।

এ উপলক্ষে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সুবিধাজনক সময়ে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, ফুটবল ম্যাচ, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, কাবাডি ও হা-ডু-ডু খেলার আয়োজন করা হয়। দিনটি উপলক্ষে মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডাসহ সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের রুহের মাগফিরাত, আহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সুস্থতা এবং দেশের শান্তি ও অগ্রগতি কামনায় বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, বৃদ্ধাশ্রম, এতিমখানা, পথশিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র, প্রতিবন্ধী কল্যাণ কেন্দ্র, ডে-কেয়ার সেন্টার, শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র, শিশু পরিবার ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়।

চট্টগ্রামা ব্যুরো জানায়, চট্টগ্রামে দিবসটি উপলক্ষে সূর্যোদয়ের সঙ্গে কাট্টলীস্থ মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে ৩১ বার তোপধ্বনি ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন এবং জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। বীর মুক্তিযোদ্ধা, পুলিশ ও সর্বস্তরের মানুষ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। অনুষ্ঠান শেষে সিটি মেয়র শহীদদের ত্যাগ স্মরণ করেন।

রাজশাহী ব্যুরো জানায়, রাজশাহী পুলিশ লাইনে তোপধ্বনির মাধ্যমে মহান বিজয় দিবসের সূচনা হয়। শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পুলিশ প্রশাসন ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

খুলনা ব্যুরো জানায়, দিবসটি উপলক্ষে খুলনায় নানা কর্মসূচি পালন করা হয়। প্রত্যুষে পুলিশ লাইনে দিবসের সূচনা হয়। গল্লামারী শহীদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ও মহানগর ইউনিট, বিভাগীয় কমিশনার মো. মোখতার আহমেদ, কেসিসির প্রশাসক, রেঞ্জ ডিআইজি মো. রেজাউল হকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দসহ সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

বরিশাল ব্যুরো জানায়, যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনায় বরিশালে মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। প্রত্যুষে তোপধ্বনি, শহীদ স্মৃতিফলকে শ্রদ্ধা নিবেদন, কুচকাওয়াজ ও বিজয় মেলার আয়োজন করা হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ দোয়ার মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হয়।
বগুড়া ব্যুরো জানায়, বগুড়ায় জিলা স্কুল মাঠে তোপধ্বনির মাধ্যমে বিজয় দিবস শুরু হয়। শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিফলক ‘মুক্তির ফুলবাড়ি’-তে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান, পুলিশ সুপার মো. শাহাদাত হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল ওয়াজেদ। বিএনপি ও সাংবাদিক সংগঠনও শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

বিশেষ সংবাদদাতা, কুষ্টিয়া থেকে জানান, কুষ্টিয়ায় মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ইকবাল হোসেন, পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

স্টাফ রিপোর্টার, গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) থেকে জানান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এন. এম. আবদুল্লাহ-আল-মামুনের নেতৃত্বে শহীদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে মিনি স্টেডিয়ামে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমির সালমান রনি ও থানার ওসি আ. স. ম. আতিকুর রহমান।

স্টাফ রিপোর্টার, মাদারীপুর থেকে জানান, মাদারীপুরে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও স্টেডিয়ামে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপপরিচালক মো. আল নোমান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম।

স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ থেকে জানান, নারায়ণগঞ্জে তোপধ্বনির মাধ্যমে মহান বিজয় দিবসের সূচনা হয়। বিজয় স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির। উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আলমগীর হুসাইন ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাঈমা ইসলাম।

বাগেরহাট জেলা সংবাদদাতা জানান, এ উপলক্ষে জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন পৃথক কর্মসূচি পালন করে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গোলাম মোহাম্মদ বাতেন, হাসান চৌধুরী ও আকরাম হোসেন তালিম।

গাজীপুর জেলা সংবাদদাতা জানান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সকালেই জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। ক্যাম্পাসে ব্যানার প্রদর্শন, আলোকসজ্জা এবং দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ভিসি অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগের আদর্শ বাস্তবায়নে ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

ঝিনাইদহ জেলা সংবাদদাতা জানান, শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন ও র‌্যালিসহ নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঝিনাইদহে মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদ ও পুলিশ সুপার আশিকুর রহমান প্রথমে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন।

টাঙ্গাইল জেলা সংবাদদাতা জানান, জেলায় শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন ও স্টেডিয়ামে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক শরীফা হক, পুলিশ সুপার শামছুল আলম সরকার ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

গাজীপুর জেলা সংবাদদাতা জানান, গাজীপুর জেলায় উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আলম হোসেন শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। শহীদ বরকত স্টেডিয়ামে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দিন ও উপ-পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম।

চুয়াডাঙ্গা জেলা সংবাদদাতা জানান, শহীদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও স্টেডিয়ামে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম ও সিভিল সার্জন ডা. হাদী জিয়া উদ্দিন আহমেদ।

কুড়িগ্রাম জেলা সংবাদদাতা জানান, কুড়িগ্রামে বিজয় স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিভিন্ন সংগঠন। উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান।

নওগাঁ জেলা সংবাদদাতা জানান, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম ও মুক্তিযোদ্ধা নেতৃবৃন্দ।
নড়াইল জেলা সংবাদদাতা জানান, মহান বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আল মামুন সিকদার ও মুক্তিযোদ্ধা নেতারা।

পাইকগাছা (খুলনা) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও কুচকাওয়াজের মধ্য দিয়ে মহান বিজয় দিবস পালিত হয়। পরে বিজয় মেলা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফজলে রাব্বী ও থানার ওসি গোলাম কিবরিয়া।
রাজবাড়ী জেলা সংবাদদাতা জানান, জেলায় শহীদ স্মৃতি ফলকে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার, পুলিশ সুপার মনজুর মোরশেদ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

ভোলা জেলা সংবাদদাতা জানান, ভোলায় গভীর শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা, শিশুদের প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিবসটি উদযাপিত হয়।

চুয়াডাঙ্গা জেলা সংবাদদাতা জানান, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গায় জেলা প্রশাসনের একটি বিজ্ঞপ্তি ঘিরে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে রাজনৈতিক দলের ব্যানারে বিজয় শোভাযাত্রা না করার অনুরোধ জানানো হলে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে।

শেরপুর জেলা সংবাদদাতা জানান, শেরপুর ডিসি উদ্যানে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী বিজয় মেলা। মেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. শামীম রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম উদ্দিন, এবং শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবদুল্লাহ আল মামুন। মেলায় শতাধিক পিঠা, কেক ও অন্যান্য খাবারের স্টল বসানো হয়।

ইবি সংবাদদাতা জানান, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে এ উপলক্ষে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, আনন্দ শোভাযাত্রা ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। মুক্তবাংলা ভাস্কর্যে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ভিসি প্রফেসর ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. এম এয়াকুব আলী ও কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর আলম।

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ভোরে মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিসৌধে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু হয়। জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ, আলোচনা সভা ও প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা রহমান। এতে মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, সূর্যোদয়ের সঙ্গে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা হয়। স্বাধীনতা স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন, ওসি মনিরুজ্জামান মোল্যা ও সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবু মাসুদ।

মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, উপজেলায় ভোরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু হয়। শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ ও বিজয় মেলা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নেতৃবৃন্দ।

নিয়ামতপুর (নওগাঁ) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, নিয়ামতপুরে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও সম্মিলিত কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। সংবর্ধনা ও আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। এতে প্রশাসনের কর্মকর্তা ও মুক্তিযোদ্ধারা অংশ নেন।

পার্বতীপুর (দিনাজপুর) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে প্রদর্শনের মাধ্যমে দিবসটি পালিত হয়। পরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদ্দাম হোসেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহামুদ হুসাইন রাজু ও ওসি ফারুক হোসেন।

পুঠিয়া (রাজশাহী) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, পুঠিয়াতে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে অংশ নেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত সালমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিবু দাস ও ওসি ফরিদুল ইসলাম।

সদরপুর (ফরিদপুর) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, সদরপুরে ভোরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন, জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও প্রীতি ফুটবল ম্যাচ হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
টুঙ্গিপাড়া (গোপালগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, টুঙ্গিপাড়ায় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন, কুচকাওয়াজ ও মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জহিরুল আলম, বিশেষ অতিথি ওসি আইয়ুব আলী ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল আমিন হালদার।

উজিরপুর (বরিশাল) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, উজিরপুরে তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা হয়। মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলী সুজা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মহেশ্বর মন্ডল ও ওসি রকিবুল ইসলাম।

দিঘলিয়া (খুলনা) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, দিঘলিয়ায় দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সূর্যোদয়ের সঙ্গে তোপধ্বনির মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু হয়। শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. হারুন অর রশীদ। পরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. সাইফুর রহমান মিন্টু ও প্রেসক্লাব সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম শ্রদ্ধা জানান।

কবিরহাট (নোয়াখালী) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, কবিরহাটে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার পূদম পুষ্প চাকমা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে উপজেলা প্রাঙ্গণে কুচকাওয়াজ ও বিজয় মেলার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন থানার ওসি মো. নিজাম উদ্দিন ভূঁঞা ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রতিনিধি।

কালাই (জয়পুরহাট) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, কালাইয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচিতে মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীম আরা জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন। উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন থানার ওসি রফিকুল ইসলাম ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হারুনুর রশিদ।

কাঠালিয়া (ঝালকাঠি) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় বিজয় দিবস উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মকবুল হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের আহ্বায়ক মো. ফজলুল হক মৃধা ও থানা পুলিশ পরিদর্শক হারান চন্দ্র পাল।

লালমোহন (ভোলা) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, লালমোহনে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে দিবসটি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শাহ আজিজ শহীদ স্মৃতি ফলকে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও বিজয় মেলার উদ্বোধন করেন। আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল ও থানার ওসি অলিউল ইসলাম।

মতলব উত্তর (চাঁদপুর) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় দিনটিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা কুলসুম মনির নেতৃত্বে শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন থানার ওসি মো. কামরুল হাসান ও মুক্তিযোদ্ধা মিয়া আব্দুল মতিন।

রাণীনগর (নওগাঁ) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, রাণীনগরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রাকিবুল হাসান জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাবিলা ইয়াসমিন ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আরিফুজ্জামান খাঁন।

সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, সরাইলে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবু বকর সরকার জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন। কর্মসূচিতে ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) শারমীন আক্তার ও থানার কর্মকর্তারা। পরে বিজয় মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

সারিয়াকান্দি (বগুড়া) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, সারিয়াকান্দিতে দিবস উপলক্ষে দিনব্যাপী কর্মসূচি পালন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমাইয়া ফেরদৌস জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন থানার ওসি আ.ফ.ম আসাদুজ্জামান ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আতিকুর রহমান।

বামনা (বরগুনা) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, যথাযোগ্য মর্যাদায় বামনায় মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। শহীদ মিনার সংলগ্ন স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. পলাশ আহমেদ, থানার ওসি মো. আবদুল্লাহ আল মামুন ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হোসাইন আল সেলিম।

বাকেরগঞ্জ (বরিশাল) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, বাকেরগঞ্জ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) তন্ময় হালদার ও থানার ওসি খন্দকার সোহেল রানা।

ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা জাহান। উপস্থিত ছিলেন থানার ওসি সাব্বির মোহাম্মদ সেলিম ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) তারেক রহমান।

হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী নাহীদ ইভা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহসী মাসনাদ ও থানার ওসি মো. রাশেদুল ইসলাম।

কিশোরগঞ্জ জেলা সংবাদদাতা জানান, জেলা স্টেডিয়ামে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে মহান বিজয় দিবস উদযাপন শুরু হয়। শহীদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা, পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকরা।
লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে মহান বিজয় দিবস উদযাপন শুরু হয়। স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু, সহকারী কমিশনার (ভূমি) বাসিত সাত্তার ও থানার ওসি মনিরুল ইসলাম।
নাচোল (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. গোলাম রব্বানী সরদার। উপস্থিত ছিলেন থানার কর্মকর্তা ও মুক্তিযোদ্ধারা।

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান বিজয় দিবস পালিত হয়। পরে কুচকাওয়াজ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আরা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রোহান সরকার ও থানার ওসি মিজানুর রহমান।

সাদুল্লাপুর (গাইবান্ধা) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, উপজেলায় এ উপলক্ষে কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন। এসময় উপস্থিত ছিলেন থানার ওসি মুহাম্মদ আব্দুল আলিম ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, বর্ণাঢ্য বিজয় র‌্যালি ও আলোচনা সভার মাধ্যমে মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাদরাসার প্রধান শিক্ষক মো. মমিনুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন সংগঠক মো. সোলায়মান মিয়া ও শিক্ষক মো. খাইরুল ইসলাম।

আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, আড়াইহাজারে যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আলোচনা সভা, কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হয়। ইউএনও মো. আসাদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

বারহাট্টা (নেত্রকোনা) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, নেত্রকোনার বারহাট্টায় নানা কর্মসূচিতে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কুচকাওয়াজ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রশাসন, রাজনৈতিক দল, মুক্তিযোদ্ধা ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে দিনটি উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।

শার্শা (যশোর) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, শার্শার কাশিপুরে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের সমাধিতে গার্ড অব অনার প্রদান করেছে ৪৯ বিজিবি। উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা ও বিভিন্ন সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন, কুচকাওয়াজ ও বিজয় মেলার আয়োজন করা হয়। শেষে মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ডিমলা (নীলফামারী) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, ডিমলায় দিনব্যাপী কর্মসূচিতে মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। তোপধ্বনি, শহীদ স্মৃতিফলকে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কুচকাওয়াজ ও বিজয় মেলার আয়োজন করা হয়। মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা ও ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, ৫৫তম মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে বিজয় র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। র‌্যালিটি ফরিদগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে বাসস্ট্যান্ডে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সাবেক পৌর মেয়র ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মঞ্জিল হোসেন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. আবুল কালাম আজাদ, এবং আমানত হোসেন গাজী।

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, ফটিকছড়ি উপজেলায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। সকাল ৮টায় উপজেলা কেন্দ্রীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীম, উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নজরুল ইসলাম ও থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সেলিম। শিশু ও কিশোরদের অংশগ্রহণে কুচকাওয়াজ, চিত্রাঙ্কন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও অনুষ্ঠিত হয়।

গাবতলী (বগুড়া) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, গাবতলীতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উপজেলা প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান, মডেল থানার ওসি আনিসুর রহমান, এবং স্থানীয় শিক্ষক সহকারী অধ্যাপক আবু নছর মোহাম্মদ আলম। এছাড়া আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

ঈশ্বরদী (পাবনা) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, ঈশ্বরদীতে মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে উপজেলা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুর রহমান সাকির, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ প্রণব কুমার, ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল মমিন। এছাড়া জেলা বিএনপি ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়।

ইটনা (কিশোরগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, ইটনা উপজেলায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন, স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং কুচকাওয়াজের মাধ্যমে মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রায়হানুল ইসলাম, থানা অফিসার ইনচার্জ আবুল হাসেম, এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিজয় কুমার হালদার। শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও আয়োজন করা হয়।

জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, জীবননগরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল আমীন, বিশেষ অতিথি সৈয়দজাদী মাহবুবা মঞ্জুর মৌনা, এবং জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোলায়মান সেখ। বিজয় কুচকাওয়াজ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিজয় মেলার আয়োজন করা হয়।

কাউখালী (পিরোজপুর) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, কাউখালীতে দিবসের কর্মসূচিতে ৩১ বার তোপধ্বনি, স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কুচকাওয়াজ, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও বিজয় মেলার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুদীপ্ত দেবনাথ, এবং থানা ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা মো. ইয়াকুব আলী।

খুবি সংবাদদাতা জানান, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। সকাল ৬.৩০ মিনিটে প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। প্রধান অতিথি ভিসি প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম, উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মো. হারুনর রশীদ খান, এবং ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

শিবালয় (মানিকগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, শিবালয়ে সূর্যোদয়ের সঙ্গে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দিবস শুরু হয়। শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন ইউএনও মনিষা রানী কর্মকার, সহকারি কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল নাইম, ওসি মনির হোসেন। কুচকাওয়াজে অংশ নেন শিক্ষার্থী ও আনসার সদস্যরা। বেলা ২টায় প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অষ্টগ্রাম (কিশোরগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, অষ্টগ্রাম উপজেলা প্রশাসন শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছে। উপস্থিত ছিলেন ইউএনও সিলভিয়া স্নিগ্ধা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল আহাদ, ওসি সোয়েব খান। বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা দেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধ কাজের আহ্বান জানান।

বদলগাছী (নওগাঁ) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, নওগাঁর বদলগাছীতে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, সঞ্চালনা করেন নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী। বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য ও সংসদ প্রার্থী মাও. মো. মাহফুজুর রহমান। বিএনপি এমপি প্রার্থী ফজলে হুদা বাবুলের নেতৃত্বে র‌্যালিতেও অংশ নেন।

বাঘারপাড়া (যশোর) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, বাঘারপাড়ায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মহান বিজয় দিবস উদযাপন হয়। শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভুপালী সরকার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহির দায়ান আমিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন খান। কুচকাওয়াজ, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

বালিয়াকান্দি (রাজবাড়ী) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, বালিয়াকান্দিতে সকালেই জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। সংবর্ধনা ও আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ইউএনও চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এহসানুল হক শিপন, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ফারুক হোসেন। কুচকাওয়াজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

বড়াইগ্রাম (নাটোর) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, বড়াইগ্রামে ইউএনও লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌসের সভাপতিত্বে বিজয় দিবস উদযাপন হয়। উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) জুবায়ের জাহাঙ্গীর, ওসি আব্দুস ছালাম, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এমপি প্রার্থী মাওলানা আব্দুল হাকিম। পুষ্পস্তবক অর্পণ, কুচকাওয়াজ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, কোম্পানীগঞ্জে বিজয় দিবসের সূচনা হয় সূর্যোদয়ের সঙ্গে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে। শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন ইউএনও মো. মাসুদুর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুবাইয়া বিনতে কাশেম, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরুল হাকিম। আলোচনা সভা, সংবর্ধনা ও তিন দিনব্যাপী বিজয় মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, বিজয় র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয় বিএনপি’র উদ্যোগে। র‌্যালি নেতৃত্ব দেন প্রকৌশলী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু, উপজেলা ও পৌর বিএনপির আহ্বায়ক। উপস্থিত ছিলেন অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক, আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ, সদস্য সচিব মাসুদ রুমী মিথুন।

কালীগঞ্জ (গাজীপুর) উপজেলা সংবাদদাতা জানান, কালীগঞ্জে বিজয় দিবস উদযাপনের শুরুতে ৩১ বার তোপধ্বনি ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। উপস্থিত ছিলেন ইউএনও এটিএম কামরুল ইসলাম, ওসি মো. জাকির হোসেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকিয়া সরোয়ার লিমা। কুচকাওয়াজ, সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

পূর্বের খবরModi, Have We Forgotten History?
পরবর্তি খবরতারেক রহমানের বাসভবন ও অফিস প্রস্তুত রাখা হয়েছে