বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) লন্ডন সময় সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় হিথ্রু বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় রাত সোয়া ১০টায় তিনি লন্ডনের বাসা থেকে হিথ্রো বিমানবন্দরে চেক ইন করেন। তার সঙ্গে সফরসঙ্গী হিসেবে থাকছেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-২০২ ফ্লাইটে করে তিনি দেশে ফিরবেন।
ফ্লাইটটি সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রাবিরতি দিয়ে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে। তার সঙ্গে আছেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন বলে জানা গেছে।
বিমানবন্দরে তাকে অভ্যর্থনা জানাবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। তারেক রহমানের দেশে ফেরা ঘিরে দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আবেগ-উচ্ছ্বাস ও উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। প্রবাসে দীর্ঘ সময় কাটানোর পর তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে বিএনপির রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে দেখছেন দলটির নেতারা।
তারেক রহমান দেশে ফিরে তিনি প্রথম যেখানে বক্তব্য দেবেন সেই পূর্বাচল এলাকাসহ আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
এ লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দলীয় স্বেচ্ছাসেবকরাও সুশৃঙ্খলভাবে আয়োজন সম্পন্ন করতে কাজ করছেন।
দেশে ফিরে তারেক রহমান প্রথমে তার মা এবং বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন। পথে তিনি পূর্বাচল সংলগ্ন ৩০০ ফিট সড়কে (জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে) এক সংক্ষিপ্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখবেন।
বিতর্কিত ‘ওয়ান-ইলেভেন’ সরকারের সময় গ্রেপ্তার করা হয় তারেক রহমানকে। ২০০৮ সালে কারামুক্ত হয়ে সপরিবারে যুক্তরাজ্যে যান তিনি। এক/এগারোর সরকারের সময় ২০০৮ সালে কারামুক্ত হয়ে সপরিবারে যুক্তরাজ্যে যান তারেক রহমান। এরপর দীর্ঘ সময় তিনি সেখানেই অবস্থান করেন। যদিও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান একাধিকবার দেশে এলেও এতদিন তারেক রহমানের দেশে ফেরা সম্ভব হয়নি।





