কবি অসীম সাহা চিরনিদ্রায়

169

একুশে পদকপ্রাপ্ত  না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। মঙ্গলবার (১৮ জুন) বিকেল ৪টার দিকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালেয় (বিএসএমএমইউ) শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। খ্যাতিমান কবি ও ঔপন্যাসিক অসীম সাহার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন কবির ছোট ছেলে অর্ঘ্য সাহা।

ঢাকাঃ একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি অসীম সাহা (৭৫) আর নেই। মঙ্গলবার (১৮ জুন) দুপুর ২টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।গত শনিবার তাঁর চিকিৎসায় একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করেছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন অসুস্থতায় ভুগছিলেন।

কবি অসীম সাহার (৭৫) মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা।

কবি, প্রাবন্ধিক, গীতিকার ও শিশুসাহিত্যিক তপন বাগচি জানান, দুপুর ২টায় অসীম সাহাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। ৪টায় পরিবারকে বলা হয় তিনি আর নেই।

বছরের শুরুর দিকেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন কবি অসীম সাহা। চিকিৎসকরা তখন জানিয়েছিলেন, কবি পারকিনসন (হাতকাঁপা রোগ), কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত।

১৯৪৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি নানাবাড়ি নেত্রকোনা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন কবি অসীম সাহা। পড়াশোনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা সাহিত্য বিভাগে।

কবি ও ঔপন্যাসিক অসীম সাহা বাংলা সাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের জন্য ২০১২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১৯ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে।

তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘পুরনো দিনের ঘাসফুল’ (২০১২-কবিতা), ‘প্রগতিশীল সাহিত্যের ধারা’ (১৯৭৬), ‘অগ্নিপুরুষ ডিরোজিও’ (১৯৯০), ‘উদাসীন দিন’ (উপন্যাস-১৯৯২), ‘শ্মশানঘাটের মাটি গল্প’ (১৯৯৫), ‘কিলের চোটে কাঁঠাল পাকে’ (২০০২), ‘শেয়ালের ডিগবাজি’ (২০০৭), ‘হেনরি ডিরোজিও’ (২০১০) প্রভৃতি।

পূর্বের খবরঅ্যাড. আব্দুস সালাম আজাদ বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মনোনীত করা হয়েছে
পরবর্তি খবরবিশ্বের ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় ১৪ ধাপ এগিয়েছে ঢাকা