ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, এই কর্মসূচি চালাকালে শুধু হাসপাতাল ও জরুরি সেবা ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠানের দরজা খুলবে না। অ্যাম্বুলেন্স ছাড়া সড়কে কোনো গাড়ি চলবে না।
কর্মসূচি সফল করতে দেশের প্রতিটি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদরাসা শিক্ষার্থীদেরও অংশ নিতে আহ্বান জানানো হয়েছে।
কোটা আন্দোলন ঘিরে বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের টানা তৃতীয় দিনের মতো সংঘর্ষ চলছে। ব্যাপক সহিংসতার শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি ফেসবুকে শেয়ার করছে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ। ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া
এরই মধ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, বরিশাল, রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী প্রশাসনের নির্দেশে হল ছেড়েছেন। তবে কেউ কেউ এখনও অবস্থান করছেন হলেই। শিক্ষার্থীরা বলছেন, ক্যাম্পাস বন্ধ করে দেওয়া কোনো সমাধান নয়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো থেকে ৮০ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থী চলে গেছেন। বাকিরাও ধীরে ধীরে হল ছাড়ছেন।
কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে মঙ্গলবার পুলিশ ও ছাত্রলীগের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে তিন জেলায় মৃত্যু হয় শিক্ষার্থীসহ ৬ জনের। এরপরই বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) সব পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে।
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে রাজপথে শিক্ষার্থীরা।