অনলাইন ডেস্ক:
ঢাকার ক্যান্টনমেন্টের মানিকদি এলাকায় নিজ জমিতে বাড়ি করে প্রায় ৩০ বছর ধরে বসবাস করছেন আল ইমরানের পরিবার। কিন্তু একটি ডেভেলপার কোম্পানি দেওয়াল নির্মাণ করে তাদের চলাচলের একমাত্র রাস্তা বন্ধ করে দেয়।
বিষয়টি নিয়ে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেও কোনো সমাধান পাননি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীর। এরপর বিষয়টির সমাধান চেয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে অভিযোগ করেন তিনি।
এরপর কমিশনের হস্তক্ষেপে সরকারি ১৫০ ফুট রাস্তা খুলে দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) কমিশন সূত্রে জানা গেছে এ তথ্য।
অভিযোগকারী আল ইমরান জানান, তারা নিজ জমিতে বাড়ি নির্মাণ করে প্রায় ৩০ বছর ধরে বসবাস করছেন। কিন্তু অনলাইন প্রোপার্টিজ হঠাৎ করেই তার বাড়ির সামনের রাস্তায় দেওয়াল নির্মাণ করে। এতে করে তার মা, বড়বোন এবং বোনের শিশু সন্তান গৃহবন্দি অবস্থায় জীবনযাপন করেন। ফলে পরিবারটি বিভিন্ন ধরনের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন। প্রতিপক্ষের হামলার ভয়ে বিষয়টি তিনি কমিশনে জানান।
এরপর কমিশনের চেয়ারম্যান ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-পরিচালককে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে বলেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কমিশনের উপ-পরিচালক সুস্মিতা পাইকের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ১৪ মার্চ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনে দেখা যায় যে, অভিযোগকারীর বাসা থেকে বের হওয়ার একমাত্র রাস্তায় প্রায় ১৫ ফুট উঁচু দেওয়াল করে চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। এতে করে অভিযোগকারীর মা সকিনা আক্তার, বড়বোন খালেদা আফরোজ এবং বোনের এক বছর বয়সী শিশু সন্তান খালিদ গৃহবন্দি হয়ে পড়েন। ভুক্তভোগীদের চলাচলের পথ বন্ধ করে দেওয়াতে তাদের মানবাধিকারে লঙ্ঘন হয়।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে চলাচলের রাস্তা উন্মুক্ত করে দিতে উক্ত ডেভেলপার কোম্পানিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। এরপর তারা চলাচলের রাস্তা উন্মুক্ত করে দেয়। এতে করে দীর্ঘ সাত মাস অবরুদ্ধ থাকার পর মুক্ত হন ভুক্তভোগীরা।





