যাত্রীশূন্য গাবতলী, চাপ বাড়তে পারে সোমবার থেকে

152

অনলাইন ডেস্ক:

পাল্টে গেছে রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনালের চিত্র। বিগত বছরগুলোতে ঈদ ঘিরে সেখানে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় থাকলেও এবার সেটি নেই। বিভিন্ন পরিবহনের বাসের হেলপাররা অনেকটা অলস সময় কাটাচ্ছেন। হাঁকডাক করেও যাত্রীর দেখা পাচ্ছে না তারা। বাস কাউন্টারগুলোও প্রায় ফাঁকা।

সব মিলিয়ে ঈদ ঘিরে গাবতলী বাস টার্মিনালে যাত্রীদের কোনো চাপ নেই এখনো। ফলে এই টার্মিনালে আসা যাত্রীরা অনেকটা নির্বিঘ্নে ও ভোগান্তিহীনভাবে গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হতে পারছেন। তবে কাউন্টারগুলো থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ৮ ও ৯ এপ্রিল ঈদযাত্রীদের চাপ বাড়বে।

শনিবার (৬ এপ্রিল) সকালে গাবতলী বাস টার্মিনাল ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ঘাটে ফেরি পারাপারে যাত্রী সংখ্যা কমে গেছে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাস কাউন্টার থেকেও অগ্রিম টিকিট দেওয়া হচ্ছে। এতে গাবতলী বাস টার্মিনালে যাত্রী কমেছে।

তারা বলছেন, এখন যাত্রীচাপ কিছুটা কম। তবে ঈদের আগের দু-তিন দিন চাপ বাড়বে। বিশেষত, পোশাক কারখানা ছুটি হলে ঈদযাত্রীরা গন্তব্যে পৌঁছুতে হুমড়ি খেয়ে পড়বে।

ঢাকা-কুষ্টিয়াগামী রাবেয়া পরিবহনের ম্যানেজার অমিত হাসান জাগো নিউজকে বলেন, বর্তমানে যাত্রী নেই। তবে কেউ চাইলে টিকিট সংগ্রহ করে রাখতে পারেন।

সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর থেকে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার মানুষেরা এখন খুব সহজে যাতায়াত করতে পারেন। এতে সময় যেমন বাঁচে, টাকাও কম খরচ হয়। এখন আর ফেরি পারাপারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দীর্ঘ যানজটে বসে থাকতে হয় না। ফলে আগেভাগে রওনা হওয়ারও তাড়া থাকে না। এ কারণে ঢাকার বাস টার্মিনালগুলোতে এখন যাত্রীচাপ কম।

ঢাকা-কোটালীপাড়াগামী দিগন্ত পরিবহনের রুহুল আমিন বলেন, টিকিটের সমস্যা নেই। তবে ৮ তারিখ বিকেলের পর এবং ৯ তারিখ সকাল থেকে যাত্রীচাপ বাড়বে।

গাবতলী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়, কাউন্টারগুলোতে যাত্রীদের তেমন ভিড় নেই। অথচ বিগত বছরগুলোতে ঈদ এলে সপ্তাহখানেক আগে থেকে এই টার্মিনালে যাত্রীদের ভিড় লেগে যেতো। পা ফেলার জো থাকতো না। অনেকে বাধ্য হয়ে বাড়তি দামেও টিকিট কিনতেন। কিন্তু সেই দৃশ্য এবার আর নেই।

পূর্বের খবরসড়কে আনফিট গাড়ি নামালে কঠোর ব্যবস্থা: বিআরটিএ চেয়ারম্যান
পরবর্তি খবরপাহাড়ে কুকি চিনের নৃশংসতায় সাধারণ মানুষ জিম্মি হয়ে পড়েছে