বাংলাদেশ আর ভারত-বিরোধী পরিবেশ দ্রুত বদলাচ্ছে

72

বাংলাদেশ দ্রুত বদলাচ্ছে… আর ভারত-বিরোধী পরিবেশও ধীরে ধীরে বাস্তবতার সামনে ভেঙে পড়ছে। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের প্রভাবে তৈরি হওয়া জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ আবারও ভারতের দিকে হাত বাড়িয়েছে। সম্প্রতি ভারত বাংলাদেশকে ৫,০০০ টন ডিজেল সরবরাহ করেছে। সব মিলিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে প্রায় ১৫,০০০ টন ডিজেল ভারত থেকে বাংলাদেশে এসেছে।দুই দেশের মধ্যে বার্ষিক চুক্তি অনুসারে ভারত বাংলাদেশকে প্রায় ১,৮০,০০০ টন ডিজেল সরবরাহ করে। এটি তারই অংশ।

নিউজ২১ডেস্কঃ বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত বদলাচ্ছে। নির্বাচনের পর নতুন করে আর সম্পর্কে সঙ্কট তৈরি হয়নি, স্বাভাবিক ভাবেই ভারত-বিরোধী পরিবেশ ভেঙে পড়ছে। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটে বাংলাদেশ আবারও ভারতের দিকে হাত বাড়িয়েছে। গতকাল ভারত বাংলাদেশকে ৫,০০০ টন ডিজেল সরবরাহ করেছে। এ নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে মোট ১৫,০০০ টন ডিজেল ভারত থেকে বাংলাদেশে পৌঁছেছে।
এই ডিজেল ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন দিয়ে আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে পার্বতীপুরে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (BPC) চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, আগামী দিনে আরও ডিজেল সরবরাহের পরিকল্পনা চলছে। সংকটের সময় ভারতের সাহায্য।
এই জ্বালানি এসেছে ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে, আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে সরাসরি পার্বতীপুরে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (BPC) চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে আরও ডিজেল সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে।
বর্তমানে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিবহন ও শিল্প খাতে প্রভাব পড়ছে। এই সংকটময় সময়ে প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারত দ্রুত সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে।
দুই দেশের বার্ষিক চুক্তি অনুযায়ী ভারত বাংলাদেশকে প্রায় ১,৮০,০০০ টন ডিজেল সরবরাহ করে থাকে—এটিও সেই ধারাবাহিকতার অংশ।
বর্তমানে ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বাংলাদেশে জ্বালানির সংকট দেখা দিয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিবহন ও শিল্পক্ষেত্রে চাপ পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারত দ্রুত সাড়া দিয়ে ডিজেল সরবরাহ করেছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকার আইপিএল ২০২৬ সম্প্রচারের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। ফলে বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা এবার টিভিতে আইপিএল দেখতে পারবেন।
এসব ঘটনা দেখিয়ে দিচ্ছে যে, সংকটের সময় বাংলাদেশ বারবার ভারতের কাছে সাহায্য চায়  এটি নতুন কিছু নয়।
ভারতের ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতির অংশ হিসেবে এই সহযোগিতা চলছে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও জ্বালানি সম্পর্ক আরও মজবুত হচ্ছে।
বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের জন্য এটি স্বস্তির খবর। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ যতদিন চলবে, জ্বালানি সংকটও ততদিন চাপ তৈরি করবে। এই সময়ে প্রতিবেশী দেশগুলোর সহযোগিতা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, সংকটের সময় আঞ্চলিক সহযোগিতা কতটা গুরুত্বপূর্ণ—তা আবারও স্পষ্ট হয়েছে। ভারতের ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতির আওতায় এই সহযোগিতা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করছে।
সংবাদ: ফেসবুক পেজ থেকে সংগ্রহিত।
পূর্বের খবরউত্তরা মিডিয়া ক্লাবের ঈদ পুনর্মিলনী ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত
পরবর্তি খবরদেশের জনগণের প্রকৃত উন্নয়নে কাজ করছে বিএনপি সরকার