বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ

159
ঢাকাঃ আজ রোববার ফের সরকার সারাদেশে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে।

দেশে বিক্ষোভ ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষিতে সরকার মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো৷ বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে ফেসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রামও৷

বাংলাদেশে আবারও মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে সরকার৷ ডয়চে ভেলের কনটেন্ট পার্টনার দ্য ডেইলি স্টার একটি মোবাইল ফোন অপারেটরের শীর্ষ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এই খবর জানিয়েছে৷ তিনি সংবাদমাধ্যমটিকে জানান, ফোরজি সেবা বন্ধের নির্দেশনা তাদের কাছে এসেছে৷

শনিবার বৈষম্যবিরোধিতার ডাকে ছাত্রদের প্রতিবাদ
বাংলাদশের স্থানীয় গণণাধ্যমগুলো জানিয়েছে, বিক্ষোভ ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষিতে সরকার মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে।

 

‘‘মোবাইল অপারেটরদের আজ সরকারি একটি সংস্থা বলেছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ফোর-জি নেটওয়ার্ক বন্ধ থাকবে৷” এর ফলে মোবাইল ব্যবহারকারী ফোনে কথা বলতে পারলেও ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন না৷

শনিবার ফেসবুক ও মেসেঞ্জারসহ কিছু অ্যাপ ব্লক করার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল৷ এর ছয় ঘণ্টা পর সেগুলো খুলে দেওয়া হয়। রোববার ফের মোবাইলে ফোরজি সেবা বন্ধের কথা জানা গিয়েছে।

 

 

ঢাকায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা

 

 

এছাড়াও সরকারি একটি সংস্থা মেটার প্ল্যাটফর্ম ফেসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রাম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে বলে জানিয়েছে প্রথম আলো৷ রোববার বেলা ১টার পর ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়৷

এর আগে, শনিবার ফেসবুক ও মেসেঞ্জারসহ কিছু অ্যাপ ব্লক করার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল৷ এর ছয় ঘণ্টা পর সেগুলো খুলে দেওয়া হয়৷ তার একদিন পর আবারও মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ দেয়া হলো৷

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতার মধ্যে ১৮ জুলাই রাতে সারাদেশে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে যায়৷ এর পাঁচ দিন পর ২৩ জুলাই সীমিত আকারে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ চালু হয়৷

পূর্বের খবরপ্রধানমন্ত্রীর প্রতি অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলাচিঠি
পরবর্তি খবর‘দেশে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের’ আহ্বান আন্দোলনকারীদের