ঢাকামুখে ‘লংমার্চ’ এগিয়ে আনা হলো, ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচিতে সমবেত হওয়ার আহ্বান হেফাজতের

156

ঢাকাঃ সরকার পরিবর্তনের এক দফা দাবিতে অসহযোগ আন্দোলনের পাশাপাশি আগামীকাল সোমবার ‘ঢাকামুখে লংমার্চ’ বা ‘লংমার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এদিকে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচিতে সমবেত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

অনলাইন ডেস্কঃ আজ রবিবার বিকেলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি পর্যালোচনায় এক জরুরি সিদ্ধান্তে আমাদের ‘‘লংমার্চ টু ঢাকা’’ কর্মসূচি ৬ আগস্ট থেকে পরিবর্তন করে ৫ আগস্ট করা হলো। অর্থাৎ আগামীকালই (সোমবার) সারাদেশের ছাত্র-জনতাকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করার আহ্বান জানাচ্ছি।’

 

 

Image not found

 

তিনি আরও বলেন, ‘আজ প্রায় অর্ধশতাধিক ছাত্র-জনতাকে খুন করা হয়েছে। চূড়ান্ত জবাব দেওয়ার সময় এসে গেছে। বিশেষ করে আশেপাশের জেলাগুলো থেকে সবাই ঢাকায় আসবেন এবং যারা পারবেন আজই ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে যান। ঢাকায় এসে মুক্তিকামী ছাত্র জনতা রাজপথগুলোতে অবস্থান নিন।’

আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘চূড়ান্ত লড়াই, এই ছাত্র নাগরিক অভ্যুত্থানের চূড়ান্ত স্বাক্ষর রাখার সময় এসে গেছে। ইতিহাসের অংশ হতে ঢাকায় আসুন সকলে। যে যেভাবে পারেন ঢাকায় কালকের মধ্যে চলে আসুন। ছাত্র-জনতা এক নতুন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটাব।’

এর আগে আজ বেলা পৌনে ২টার দিকে অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম ঘোষণা করেছিলেন যে, আগামীকাল সোমবার সারাদেশে বিক্ষোভ ও গণঅবস্থান এবং পরের দিন মঙ্গলবার ‘লংমার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি।

 

 

 

Image not found

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী  

 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একদফার দাবিতে দেশবাসীকে সমবেত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী।

গতকাল রবিবার রাতে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ আহ্বান জানান। বিবৃতির বিষয়টি হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মীর ইদ্রিস গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

বিবৃতিতে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির বলেন, আমাদের দেশের বীর ছাত্র-জনতা সোমবার একদফার ‘ঢাকা চলো’ কর্মসূচি দিয়েছে। এর সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে দল-মত নির্বিশেষে সবাই ঢাকা চলুন। এটা আমাদের নয়া মুক্তির লড়াই। যারা এতদিন আমাদের মৌলিক অধিকার কেড়ে নিয়েছে; রাজনৈতিক ও ধর্মীয় স্বাধীনতা রুদ্ধ করেছে; আজকে তাদের ফ্যাসিবাদী রাজত্বের অবসান ঘটানোর চূড়ান্ত সময় এসেছে।

মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, আল্লাহর ফায়সালার দিকে তাকিয়ে আমরা ধৈর্যধারণ করেছি। শত জেল-জুলুম, ষড়যন্ত্র ও চাপ মোকাবিলা করে এতদিন আমরা সবর করেছি। আজকে সময় এসেছে রুখে দাঁড়ানোর।

পূর্বের খবর‘সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন চালিয়ে দায় ছাত্র-জনতার ওপর চাপানো হতে পারে’
পরবর্তি খবরবৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি ও সংগ্রামের প্রতি একাত্মতা ঘোষণা করেছিঃ মুফতী ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই