
এদের দিয়ে প্রভাবশালীরা যেসব অপরাধ করায় সেসব অপরাধের মধ্যে এলাকায় প্রভাব বিস্তার, প্রভাব প্রতিষ্ঠা, দখল, জবরদখল, বড় অঙ্কের চাঁদার জন্য ভয় দেখানো, জমি দখল, রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ।
অনুসন্ধান বলছে, মাদকের হাট ও ক্রাইম জোন তালিকায় টঙ্গী পূর্ব এবং পশ্চিম থানা এলাকা। কয়েক যুগ ধরে এই এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। টঙ্গীর মাদক পরিচালনায় কাজ করছে এলাকার প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতারা। এর মধ্যে অধিকাংশ মদদদাতার বসবাস টঙ্গী রেল জংশনের চারপাশে। ফলে টঙ্গীর মাদক নির্মূল করতে প্রশাসনের চেষ্টা বারবার ব্যর্থ হচ্ছে।
জানা গেছে, মাদক ব্যবসায়ীরা প্রশাসনিক মদদের জন্য সরকার দলীয় প্রভাবশালী নেতাদের ব্যানার-ফেস্টুন তৈরি করে ত্যাগী নেতাকর্মীদের জায়গা দখল করে নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। টাকার বিনিময়ে থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের পদ-পদবি নিয়ে এলাকায় মাদকের রাজত্ব গড়ে তুলেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত ১০ বছর মাদক ব্যবসা করে কয়েক কোটি টাকার মালিক বনে গিয়ে এখন মদদ পাওয়ার জন্য সম্ভাব্য সরকারদলীয় রাজনীতিতে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন কেউ কেউ। তারা রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার জন্য চেষ্টা করে আসছেন।
এদিকে গত ৭ মাসে ৫ জনের বেশি মানুষ মব জাস্টিসের শিকার হয়ে খুন হয়েছেন। ছিনতাই, চুরি, ডাকাতি ও লুটপাটের ঘটনা অহরহ। এসবের পরিপ্রেক্ষিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও কয়েক শ ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার করছে মাদককারবারিদেরও।
সম্প্রতি যৌথ বাহিনী টঙ্গী মাজার বস্তিতে অভিযান চালিয়ে সন্দেহজনক ৬০ জনকে আটক করে পুলিশে দেয়। পুলিশ যাচাই-বাছাই করে ৪৪ জনকে গ্রেপ্তার দেখায়। এরপরও কোনোভাবেই উন্নতি হচ্ছে না টঙ্গীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি অপরাধ দক্ষিণ) এন এম নাসিরুদ্দিন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘অপরাধ দমনে পুলিশ সব সময় কাজ করে আসছে। আমরা আশাবাদী, অপরাধ দমনে পুলিশ আগের চেয়ে বেশি শক্তি সঞ্চয়ের চেষ্টা করছে। প্রতিনিয়ত আমাদের অভিযান চলছে। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।’





