ঢাকাঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন অন্তবতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপি চেয়ারম্যান ও তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে ১০টা ২৫ মিনিটে গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোটকেন্দ্রে তিনি ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। দীর্ঘদিন পর ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও ঢাকা-১৭ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে নয়টার পর রাজধানীর গুলশান মডেল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তারেক রহমান বলেন, “বিগত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের মানুষ এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করছিলেন।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে একটি নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের সূচনা করবেন।
ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ড. ইউনূস বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা অতীতকে বর্জন করলাম। যে সব দুঃস্বপ্নময় অতীত ছিলো, সেগুলো সম্পূর্ণরূপে আমরা ত্যাগ করেছি। আজ থেকে প্রতিটি পদে নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ আমরা পেলাম। আজ আমরা যেন এক ধরনের জন্মদিন পালন করছি এবং সারা দিনব্যাপী উৎসব করছি।
তিনি বলেন, এটি নিশ্চিত হবে গণভোটের মাধ্যমে। প্রার্থীর জন্য আমরা ভোট দিয়েছি, সেটা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু গণভোটটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে সারা বাংলাদেশ পাল্টে যাবে।
‘আমি সবাইকে আহ্বান জানাই, গণভোটে অংশ নিন যাতে আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়ে দিতে পারি। এটি আমার জীবনের সেরা দিন। বাংলাদেশের সবার মনে এটি একটি বিশেষ দিন—মুক্তির দিন, আমাদের দুঃস্বপ্নের অবসানের দিন। নতুন বাংলাদেশের সূচনা এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শুরু হলো। অসংখ্য ধন্যবাদ সবাইকে, ‘মোবারকবাদ’ এবং ‘ঈদ মোবারক’ যোগ করেন তিনি।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি বলেন, গণতন্ত্রকামী জনগণের উচিত নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী প্রার্থীকে ভোট দেয়া এবং রাষ্ট্রীয় অধিকার ও মালিকানা নিশ্চিত করা।
ভোটারদের উদ্দেশে তিনি লিখেন, যাকে উপযুক্ত মনে করেন তাকেই ভোট দিন এবং নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দায়িত্ব পালন করুন।
তারেক রহমান আরও বলেন, নির্বাচিত প্রতিনিধিরা জনগণের দায়িত্ব নেবেন এবং তাদের সেবায় নিয়োজিত থাকবেন- এ প্রত্যাশা সবার।




