সাড়া জাগানো অভিনেত্রী শম্পা হাসনাইন গেল কয়েক বছর ধরে লেখালেখিতে মনোনিবেশ করেছেন। ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে পাঁচটি উপন্যাস। যেগুলো পাঠকমহলে সাড়া ফেলেছে। আগমী বছরের বইমেলার জন্য দুটো উপন্যাসের পাণ্ডুলিপি প্রস্তুত।

ঢাকাঃ অভিনেত্রী শম্পা হাসনাইন জানান, এ বছর প্রকাশিত হয়েছে ‘আমি আছি’ উপন্যাস সহ আরো দুটো উপন্যাস, ‘নায়িকা কাহিনী’ ও ‘আয়েশা’–এর পাণ্ডুলিপি প্রস্তুত আছে। কিছু সংশোধন করার পর আগামী গ্রন্থমেলায় প্রকাশ করবো।

সিয়াম সাধনার মাসে লেখালেখি থেকেও খানিক বিরতি নিয়েছেন শম্পা। সে কথা তুলে ধরে বললেন, আমি রোজার মাসে বাসা থেকে কম বের হই। বাসার কাজ করে সময় কাটে। ইবাদতের মাস। এবার তাহাজ্জুদের নামায পড়ছি। দিনে বিশ্রাম নেয়া হচ্ছে।

শম্পা এককালে মনে করতেন ইফতারে ছোলা-মুড়ি মাখানো না খেলে রোজা হবে না। তিনি হাসতে হাসতে বললেন, বড় হয়ে বুঝলাম যেটা খেয়ে রোজা ভাঙবো তাই ইফতার। এবার মাত্র এক দিন মুড়ি খেয়েছি। ফলমূল, কয়েক প্রকার শরবত, ডিম সিদ্ধ, টক দই – চিড়া এসব দিয়েই ইফতার করি। সেহরিতেও স্বাস্থ্যকর খাবার খাই। সারাদিন রোজায় যেন অসুস্থ হয়ে না পড়ি। ভাত খাওয়া হয় শুধু রাতের খাবারের সময়। বাড়ির ছোট মেয়ে হওয়ায় একসময় প্রচুর উপহার পেতেন শম্পা। বড় হওয়ার পর তিনিই এখন ছোটদের উপহার দেন।

শম্পা বলেন, ছোটবেলায় দশ রোজার মধ্যে শপিংয়ে না নিয়ে গেলে গাল ফুলিয়ে রাখতাম। সবার কাছ থেকে সালামি নিতাম। বাবার শপিং চাঁদ রাত পর্যন্ত চলতো। আমাদের কাছে জানতে চাইতো আর কী লাগবে। আমরাও এটা ওটার জন্য বলতাম। হাত ভর্তি চুড়ি না হলে আমার চলবেই না। শপিংয়ের শখ এখনও আছে। ছোটদের দিতে ভালো লাগে। বড়দের কাছ থেকে এ বয়সেও নতুন নোট সালামি নিই। আমিও ছোটদের নতুন নোট দিই। ঈদে উপহার দেয়ার আনন্দ অন্যরকম।

ঈদের দিন শম্পা নিজে রান্না করেন। তিনি জানালেন, ঈদে ভুনা খিচুড়ি, পোলাও, রোস্ট, বিফ কারি এসব রান্না করি। আমার অল্প ঘিয়ে রান্না করা পোলাও সবাই পছন্দ করে। ছোটবেলায় নারিকেল দিয়ে লাল–হলুদ সেমাই রান্না করতো আম্মু। এখন আমি ভিন্নরকম কিছু চেষ্টা করি। সাগু দানার পায়েস, পুডিং, হালিম, ম্যাকারনি, স্প্যাগেটি এসব থাকে ঈদের মেন্যুতে।





