সংসদ নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে ভোটের মাঠে নানা শঙ্কা

86

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাকি আর মাত্র দুই দিন। ভোট যত ঘনিয়ে আসছে নির্বাচনী মাঠ তত উত্তপ্ত হচ্ছে। বাড়ছে সহিংসতা। সংঘাত-সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী সমর্থকদের মধ্যে। বিভিন্ন স্থানে মারধর করা হচ্ছে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের। আক্রান্ত হচ্ছেন প্রার্থীরাও। এ ছাড়াও প্রার্থীরা একে অপরের বিরুদ্ধে আনছেন নানা অভিযোগ। এসব অভিযোগ জমা পড়েছে নির্বাচন কমিশনে (ইসি)। বিভিন্ন আসনে প্রার্থীরা একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। তারা নানা শঙ্কাও প্রকাশ করছেন।

mzamin

ঢাকাঃ এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গত কয়েকদিনে  ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নেই এমন কথা বলে বেশ কয়েকজন প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরেও দাঁড়িয়েছেন। এর মধ্যে সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির বেশ কয়েকজন প্রার্থীও রয়েছেন।

গত ১৮ই ডিসেম্বর নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দের পর প্রচার-প্রচারণা শুরু করেন প্রার্থীরা। ইসিতে এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে পাঁচ শ’ অভিযোগ জমা পড়েছে। নির্বাচনী পরিবেশ ঠিক রাখতে নির্বাচন কমিশন এবার ৩০০ আসনেই জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি কমিটি গঠন করে। ভোটের মাঠ মসৃণ রাখতে কাজ করছেন তারা।

প্রচার-প্রচারণায় বাধা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, হুমকি-ধমকিসহ নানা ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন রাজবাড়ী-২ (পাংশা-বালিয়াকান্দি-কালুখালী) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নুরে আলম সিদ্দিকী হক। মানিকগঞ্জ-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের ওপর দুই দফা হামলার ঘটনায় তিন কর্মী আহত হয়। এখানে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকের প্রাণনাশের হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত ২২শে ডিসেম্বর চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী গিয়াস উদ্দিনের সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর একাধিক কর্মী আতহ হন। এসব হামলার অভিযোগ নৌকার সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এর একদিন পর চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জামাল উদ্দিন চৌধুরীর কর্মীদের ওপর নৌকার প্রার্থী মাহফুজুর রহমান মিতার কর্মীরা হামলা করে। এতে উভয় পক্ষের চার জন আহত হয়। চট্টগ্রাম-১২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জাতীয় সংসদের হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর কর্মীদের ওপর একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়াও তার গাড়িবহরে গুলি করা হয়। ভাঙচুর করা হয় অন্তত ১২টি গাড়ি ও সাতটি নির্বাচনী ক্যাম্প।

৩০শে ডিসেম্বর কালুখালীর গাংবথুনদিয়া গ্রামে রাজবাড়ী-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরে আলম সিদ্দিকী হকের নির্বাচনী ক্যাম্পের কাছে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ছাড়াও কয়েকটি জায়গায় তার নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে নৌকার প্রার্থীর বিরুদ্ধে। হামলা হয়েছে প্রার্থীর ওপরও। শরীয়তপুর-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী খালেদ শওকত আলীর ওপর গত ২৫শে ডিসেম্বর হামলা হয়। নৌকার সমর্থকরা এ হামলা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একাধিক হামলায় স্বতন্ত্র প্রার্থী শওকত আলীর অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। মাদারীপুরের কালকিনিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর এক সমর্থককে কুপিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে নৌকার সমর্থকদের বিরুদ্ধে। নিহত ইস্কান্দার খান মাদারীপুর-৩ (কালকিনি, ডাসার ও সদরের একাংশ) স্বতন্ত্র প্রার্থী তাহমিনা আক্তারের সমর্থক ছিলেন।
ফরিদপুর-৩ আসনেও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের ওপর হামলা ও হুমকি-ধমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে নৌকার সমর্থকদের। ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী এ. কে. আজাদের নির্বাচনী ক্যাম্পে এ পর্যন্ত অন্তত ২০টি হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। গোপালগঞ্জ-১ আসনেও নৌকার প্রার্থীর সমর্থকদের দ্বারা হামলার শিকার হচ্ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কাবির মিয়ার সমর্থকরা। এ আসনেও একাধিকবার হামলার শিকার হন স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী সমর্থকরা।

চট্টগ্রাম-১৫ আসনে নৌকার প্রার্থী আবু রেজা মো. নেজামুদ্দিন নদভী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল মোতালেবের সমর্থকদের মধ্যে অন্তত ১০টি হামলা, ভাঙচুর ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয় কমপক্ষে ২০ জন। চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের জলদী উপজেলায় গত ১৯শে ডিসেম্বর সন্ধ্যায় নৌকার প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজিবুর রহমান চৌধুরীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
গত ২৬শে ডিসেম্বর রংপুরের মিঠাপুকুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকির হোসেন সরকারের সমর্থকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। নৌকার সমর্থকরা এ হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থীর। এতে আহত হয় অন্তত ১০ জন। জয়পুরহাট-২ (আক্কেলপুর, ক্ষেতলাল ও কালাই) আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপনের দুইটি নির্বাচনী ক্যাম্পে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ১লা জানুয়ারি রাতে আক্কেলপুর উপজেলার রায়কালী ইউনিয়নের খাঁপাড়া ও শৃগালদীঘি গ্রামে এসব ঘটনা ঘটে। জয়পুরহাট-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাহফুজ চৌধুরীর সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়াও আসনটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সঙ্গে নৌকার সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়।
পাবনা-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু সাইয়িদের সমর্থকদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ প্রার্থী শামসুল হক টুকুর সমর্থকদের মধ্যে তিন দফা সংঘর্ষ ও অফিস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়। সিরাজগঞ্জে গত ১০ দিনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের ওপর সাতটি হামলার ঘটনা ঘটেছে। সিরাজগঞ্জ-৩, ৫, ও ৬ নং আসনে এসব হামলার সবগুলোই নৌকার সমর্থকদের বিরুদ্ধে।
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুর রহমান পবনের (ঈগল) ৪ কর্মীকে পিটিয়ে আহতের ঘটনায় ১৪ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। ২রা জানুয়ারি সকালে হামলায় আহত কামাল হোসেন বাদী হয়ে রামগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। এতে ৪ জনের নাম উল্লেখ ও ১০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।
কুমিল্লা-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল মজিদের (ট্রাক) সমর্থকদের ১৬টি বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। নৌকার প্রার্থী সেলিমা আহমাদ মেরীর সমর্থকরা এ হামলা চালায় বলে অভিযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থীর। কুমিল্লার চান্দিনায় নৌকার প্রার্থী ডা. প্রাণ গোপাল দত্তের সমর্থকরা কয়েক দফায় হামলা চালায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মুনতাকিম আশরাফ টিটুর (ঈগল) সমর্থকদের ওপর। এতে অন্তত ২২ জন আহত হয়। ভাঙচুর করা হয় সাতটি গাড়ি ও ২০টি মাইক।
খুলনা-৪ (রূপসা- তেরখাদা-দিঘলিয়া) আসনের ১৩৩টি ভোটকেন্দ্রের সবগুলোই ঝুঁকিপূর্ণ বলে অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম মোর্ত্তজা রশিদী দারা। গতকাল দুপুরে খুলনা প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।
বগুড়া-৪ আসনে বাংলাদেশ কংগ্রেসের আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলমের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা ও তার সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে একাধিক সমর্থক আহত হয়েছেন। হামলাকারীরা নৌকার প্রার্থী রেজাউল করিম তানসেনের অনুসারী। বগুড়া-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী কেএসএম মোস্তাফিজুর রহমানের সমর্থক রিজভী আহম্মেদকে ভেলুরপাড়া এলাকায় গত রোববার রাতে মারধর করা হয়। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মতিন। তিনি নৌকার প্রার্থী সাহাদারা মান্নানের অনুসারী।
ভোটের মাঠ উত্তপ্ত গাজীপুরেও। স্বতন্ত্র-নৌকার লড়াইয়ে আতঙ্ক বাড়ছে ভোটারদের মধ্যে। গাজীপুর-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী আলিম উদ্দিন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলামের কর্মী-সমর্থকের ওপর অন্তত ১০টি হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। গাজীপুর-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম রাসেলের পথসভায় একাধিকবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে একাধিক কর্মী আহত হয়েছেন। গাজীপুর-৩ আসনেও নৌকার সমর্থকরা স্বতন্ত্র প্রার্থী ইকবাল হোসেন সবুজের একাধিক নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করেছে অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়াও তার নির্বাচনী কার্যালয় লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে।
কক্সবাজার-৪ (টেকনাফ) আসনেও নির্বাচনী প্রচারণায় বাধার সম্মুখীন হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নুরুল বশর। তার লিফলেট ও পোস্টার কেড়ে নেয়া হয়েছে। এ আসনে সোলতান মাহমুদ নামে আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থীও বাধার সম্মুখীন হন। গত ২৯শে ডিসেম্বর খাগড়াছড়ির পানছড়িতে তৃণমূল বিএনপি প্রার্থী উশ্যে প্রু মারমার সমর্থকদের মারধর ও গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় কয়েকটি মোটরসাইকেল ও দুটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। গত ৩০শে ডিসেম্বর খুলনা-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম মোর্তজা রশিদী দারার কর্মী মাহফুজুর রহমানকে পিটিয়ে নাক ফাটিয়ে দেয় নৌকার সমর্থকরা। মোর্তজা রশিদীর অভিযোগ, সংসদ সদস্য ও নৌকার প্রার্থী আবদুস সালাম মুর্শিদীর নির্দেশেই এ হামলা হয়েছে।
দুই দফায় হামলার শিকার হয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির প্রার্থী সেলিম আহমেদের সমর্থকরা। হামলা হয়েছে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ফয়সাল বিপ্লবের সমর্থকদের উপরও। এখানেও গুলিবর্ষণ ও চার দফা হামলায় ৯ জন আহত হয়। গত সেমবার নরসিংদী-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুর রহমান চৌধুরীর কর্মী-সমর্থকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। ২০শে ডিসেম্বর নাটোরের সিংড়ায় নৌকার প্রার্থী প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সমর্থকদের হামলায় স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম শফিকের ৯ সমর্থক আহত হয়েছে।
এদিকে রাজশাহীতেও পৃথক হামলা ও সহিংসতার ঘটনা ঘটে। রাজশাহী-৪ আসনে সংঘর্ষে জড়ান স্বতন্ত্র প্রার্থী এনামুল হক ও আওয়ামী লীগ প্রার্থী আবুল কালাম আজাদের সমর্থকরা। বেশ কয়েক দফায় এসব সংঘর্ষে অনেকে আহত হয়েছেন। রাজশাহী-১ আসনে নৌকার প্রার্থী ওমর ফারুক চৌধুরীরর সমর্থকরা স্বতন্ত্র প্রার্থী (ট্রাক) চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির নির্বাচনী অফিসে অগ্নিসংযোগ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলাও হয়েছে। ২৪শে ডিসেম্বর রাজশাহী-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ওবায়দুর রহমানের নির্বাচনী এলাকা বানেশ্বরে দুটি নির্বাচনী অফিসে ককটেল হামলা ও একটি অফিস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
অন্যদিকে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে নৌকার প্রার্থী এমপি আফজাল হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুব্রত পালের সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। আগুন দেয়া হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ শিবগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ নজরুল ইসলামের তিনটি নির্বাচনী কার্যালয়ে। গত রোববার সিলেটের কানাইঘাট বাজারে হামলার শিকার হন সিলেট-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মাওলানা হুছামুদ্দিন চৌধুরী ফুলতলীর সমর্থকরা। নৌকার কর্মীরা এ হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ।

পূর্বের খবর‘ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের হিসাব মিলছে না বাংলাদেশ ইস্যুতে’
পরবর্তি খবরঢাকার বিমান গেলো হায়দ্রাবাদে