মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদনে যাচ্ছে কাল থেকে

41
কক্সবাজার প্রতিনিধি : শনিবার পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাচ্ছে মাতারবাড়ীর প্রথম ইউনিট, “প্রথম ইউনিটে উৎপাদিত বিদ্যুতের ১২৫ থেকে ১৫০ মেগাওয়াট জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে।”

কক্সবাজারের মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট পরীক্ষামূলক উৎপাদনে যাচ্ছে।

শুক্রবার বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, “এখানে ৬০০ মেগাওয়াট (প্রতিটি) ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট রয়েছে। প্রথম ইউনিটটি শনিবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হবে।

No description available.

“এটি সফল হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিসেম্বরের শেষে উৎপাদন প্রক্রিয়ার উদ্বোধন করবেন।”

প্রকল্প বাস্তবায়নকারী কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিপিজিসিবিএল) নির্বাহী প্রকৌশলী মনোয়ার ইসলাম বলেন, “প্রথম ইউনিটে উৎপাদিত ১২৫ থেকে ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে। এই পরীক্ষণমূলক উৎপাদনে সফলতা এলে বিদ্যুৎ সরবাহ অব্যাহত থাকবে।

“প্রথম ইউনিট নতুন বছরে বাণিজ্যিক উৎপাদন যাবে। তবে তার আগেও বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চূড়ান্তভাবে উৎপাদনে গেলে এখান থেকে ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে।”

বর্তমান সরকারের মেগা প্রকল্পগুলোর অন্যতম মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র। জাপানের উন্নয়ন সংস্থা জাইকার সহায়তার প্রায় ৫১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এটি নির্মিত হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রকল্পের ভৌত অবকাঠামোর কাজ ৯৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। সার্বিক ভৌত অবকাঠামোর কাজ হয়েছে ৯০ শতাংশ।

সংশ্লিষ্ট তথ্যমতে, বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির দুটি ইউনিটে প্রতিদিন ১০ হাজার মেট্রিক টন কয়লার প্রয়োজন হবে। এখন পর্যন্ত ২ লাখ টন কয়লা সংরক্ষণ করা হয়েছে। ৭ অগাস্ট ৬৫ হাজার টন কয়লা নিয়ে আরও একটি জাহাজ মাতারবাড়ীর জেটিতে ভিড়বে।

জাহাজ থেকে সরাসরি কয়লা আনলোড করার জন্য দুটি জেটির পাশাপাশি ১ দশমিক ৭ মিলিয়ন টন ধারণক্ষমতার চারটি ট্যাংক নির্মিত হয়েছে। এতে ৬০ দিনের জন্য কয়লা সংরক্ষণের সক্ষমতা রয়েছে।

পূর্বের খবরটাকা বানানোর ‘ভার্চুয়াল মেশিনে’ নিঃস্ব মানুষ, দেখবে কে?
পরবর্তি খবরযুক্তরাষ্ট্র প্রাক্‌–নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে অক্টোবরে