বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সংলাপ শুরু

97

ঢাকাঃ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দশম দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সংলাপ শুরু হয়েছে। বুধবার (২৩ আগস্ট) ঢাকায় এই সংলাপ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। এর আগে নবম বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সংলাপ গতবছরের মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

আইএসপিআর আরও জানায়, এই দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সংলাপে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, অপারেশন্স ও পরিকল্পনা পরিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হুসাইন মুহাম্মদ মাসীহুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জেমস থমাস জন। এ ছাড়া বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ কোস্টগার্ড বাহিনীসহ বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তরা উপস্থিত আছেন। এই সংলাপ ২৪ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হবে।

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ২০১২ সাল থেকে দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সংলাপ আয়োজন শুরু হয়।

এবারের সংলাপে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা, দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যকার সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম, দুর্যোগ মোকাবিলা, শান্তিরক্ষা ও প্রতিষ্ঠা, প্রশিক্ষণ, দুই দেশের সামরিক কর্মকর্তাদের সফর বিনিময়, জঙ্গি দমনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে।

চীনের প্রভাব কমানোর লক্ষ্যে অবাধ, মুক্ত, অন্তর্ভুক্তিমূলক, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল প্রতিষ্ঠা যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম অগ্রাধিকার। তারা যেকোনো মূল্যে এ অঞ্চলে তাদের উপস্থিতি ও প্রভাব নিশ্চিত করতে চায়। আর এ উপস্থিতি নিশ্চিতে আইপিএসে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার তাদের অন্যতম অগ্রাধিকার।

সূত্র বলছে, বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একটি অবাধ, মুক্ত, অন্তর্ভুক্তিমূলক, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে কীভাবে বাংলাদেশ অবদান রাখতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থানও বৈঠকে আলোচনায় থাকবে। আইপিএস নিয়ে আলোচনায় ওয়াশিংটন থেকে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের বিষয়টিতে জোর দেওয়া হবে। কারণ এটি এখন যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক অগ্রাধিকার।

পূর্বের খবরএবার বেক্সিমকো গ্রুপকে ‘বিশেষ বিবেচনায়’ ২২ হাজার কোটি টাকা ঋণ!
পরবর্তি খবরকেউ কি নজরদারি করছে আপনার ফোনে