বাংলাদেশী আমলা-পুলিশের যুক্তরাষ্ট্রে ২৫২ বাড়ি!

116

নিউজ ডেস্কঃ দেশের অর্থ পাচার নিয়ে ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম – যুক্তরাষ্ট্রে ২৫২ বাড়ি আমলা-পুলিশের। এটি দৈনিক ইত্তেফাকের একটি বিশেষ প্রতিবেদন।

এখানে বলা হচ্ছে, দেশের টাকা পাচার করে যুক্তরাষ্ট্রের বাড়ি কিনেছেন এমন ২৫২ জন আমলা পুলিশসহ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি তালিকা পাওয়া গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রে কারা বাড়ি কিনছেন এই বিষয়টি নিয়ে কয়েক মাস ধরে তদন্ত করছিল একটি গোয়েন্দা সংস্থা। সেই রিপোর্টটি এখন সামনে এসেছে।

সরকারের শীর্ষ মহলে এই তালিকা পাঠানো হয়েছে। সেই তালিকা বিশ্লেষন করে দেখা গিয়েছে ২৫২ জনের মধ্যে অন্তত ৩০ থেকে ৩৫ জন পুলিশের ওসি রয়েছেন। এদের কারো আবার একাধিক বাড়ি রয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে টাকা পাচার করে যুক্তরাষ্ট্র এসব সম্পদ গড়েছেন তারা। সরকারি সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তারা ছাড়াও পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারাও আছেন এই তালিকায়।

বিরোধীদের দমনে সরকারের কঠোর অবস্থান ইস্যুতে ঢাকা ট্রিবিউনের প্রধান শিরোনাম, “Bangladesh buying 90,000 tear gas shells from Turkey”। অর্থাৎ তুরস্ক থেকে ৯০ হাজার টিয়ার গ্যাস শেল কিনছে বাংলাদেশ।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিরোধী রাজনৈতিকগুলো দল সরকারবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ ও নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে রাজপথ দখল করে বিক্ষোভের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার নিঃশর্ত মুক্তি এবং বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারেও দলটি তাদের আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে।

এমন অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শক্তি বাড়াতে এবং রাজপথে বিরোধীদের আন্দোলন দমনে প্রস্তুতি শুরু করেছে আওয়ামী লীগ।

যেকোন ধরণের নৈরাজ্য আর নাশকতার এড়াতে, মূলত রাজপথের আন্দোলন প্রতিরোধে তুরস্ক থেকে ৯০ হাজার টিয়ার গ্যাসের ক্যানিস্টার আনার পরিকল্পনা হাতে নিযে সরকার।।

গত ৩রা সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আদেশে যুগ্ম সচিব এসএম ফেরদৌসের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল টিয়ার গ্যাসের শেল কারখানা পরিদর্শন ও কার্যকারিতা যাচাই করতে তুরস্কে গিয়েছে।

এদিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার গোলাম ফারুক গত সপ্তাহে এক নির্দেশনায় পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়মিত জানাতে বলেছে যে থানায় পর্যাপ্ত অস্ত্র, গোলাবারুদ আছে কি না।

বিএনপির আন্দোলনকে ঘিরে আওয়ামী লীগের অবস্থান নিয়ে নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, “নমনীয়তা দেখাবে না আওয়ামী লীগ”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিএনপির আন্দোলনের কঠোরতায়ও কোনোভাবেই নমনীয় নীতি দেখাবে না আওয়ামী লীগ।

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসানীতি বা নিষেধাজ্ঞা আসলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা যেন মনোবল না হারান সেজন্য সরকারের তরফ থেকে পেশাগত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনে নানাভাবে উৎসাহ দেয়া হচ্ছে।

অপরদিকে বিএনপির সরকার পতনের এক দফা আন্দোলন কঠোরভাবে দমনের চিন্তাভাবনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকারি দল। এজন্য তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত সব পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ দলকে সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগ মনে করে, গত এক দশকে বেশ কয়েকবার বিএনপি তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে চেয়েছে কিন্তু আন্দোলনের ঠিক চূড়ান্ত ধাপে গিয়ে হোঁচট খেয়েছে। এবারেও এর পুনরাবৃত্তি হয়েছে বলে আওয়ামী লীগের নেতারা মনে করছেন।

সার পরিস্থিতি নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, “গ্যাসের সংকটে সার কারখানা”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গ্যাস সংকটে বর্তমানে তিনটি সার কারখানা বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

সবশেষ সোমবার বন্ধ হয়েছে যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড।

বাংলাদেশে সাধারণত তিন মাসের সার মজুদ রাখার নিয়ম। কিন্তু এখন মজুদ আছে এর অর্ধেক, অর্থাৎ মাত্র দেড় মাসের সার।

এই পরিস্থিতি এমন এক সময়ে হয়েছে যখন সারের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। কেননা বর্তমানে ধানের দ্বিতীয় প্রধান মৌসুম আমনের আবাদ চলছে।

জানুয়ারিতে শুরু হবে প্রধান মৌসুম বোরোর আবাদ। এদিকে অক্টোবরের শেষ থেকেই পেয়াজ ও শীতকালীন সবজি আবাদ শুরু হওয়ার কথা। অর্থাৎ সারের চাহিদা থাকলেও কৃষক পর্যায়ে এখনও সার নিয়ে সংকট কাটেনি।

ঢাকা ট্রিবিউন

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর নিয়ে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, “PM’s Delhi visit brings Teesta deal to fore again” অর্থাৎ “প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর তিস্তা চুক্তির বিষয়টিকে আবার সামনে এনেছে”।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে শুক্রবার বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে তিস্তা নদীর পানি বণ্টনের বিষয়টি উত্থাপনের কথা রয়েছে। যা বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে পুনরায় আশা জাগিয়েছে।

কয়েক দশক ধরে, ভারত অভিন্ন তিস্তার নদীর উপর অন্তত ৩০টি বাঁধ এবং একটি ব্যারেজ নির্মাণ করেছে, আন্তঃসীমান্ত নদীর প্রাকৃতিক প্রবাহকে বাধা দেওয়ার আগে বাংলাদেশকে জানানোর মতো প্রয়োজনও মনে করেনি দেশটি।

নদী বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ভারত তিস্তা থেকে পানি প্রত্যাহার বা আটকে রেখেছে, সেচের প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি। এ কারণে বাংলাদেশের দারিদ্র্য কবলিত উত্তরাঞ্চলীয় জেলাগুলো শুষ্ক মৌসুমে খরা এবং বর্ষাকালে ঘন ঘন বন্যায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

রংপুর বিভাগের জীবনপ্রবাহ হিসেবে বিবেচিত তিস্তার পানি বণ্টনের জন্য বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে একটি চুক্তি করতে চাইলেও চার দশক পেরিয়ে গেছে, কিন্তু কোনো লাভ হয়নি।

ঠিক ১২ বছর আগে ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে, তৎকালীন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সফরের সময় তিস্তা নদীর পানি বণ্টনের বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষরের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সেসময় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতার কারণে শেষ পর্যন্ত চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়নি।

ভারতীয় রাজ্যের কৃষকদের স্বার্থে তিনি চুক্তির বিষয়ে সম্মত হননি। এরপর ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায় আসার পর শেখ হাসিনাকে বিভিন্ন সময়ে, চুক্তি স্বাক্ষরের আশ্বাস দিলেও, কথা রাখেননি।

এদিকে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সফর নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, “রাশিয়া তেল, ডাল ছোলা বেচতে চায়”।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের জন্য বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকায় আসছেন। রাশিয়ার কোনো পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এটিই প্রথম ঢাকা সফর।

এই সফরের আগেই ঢাকায় রাশিয়া দূতাবাস প্রতিযোগিতামূলক দামে বাংলাদেশের কাছে সূর্যমুখী তেল, মসুর ডাল ও ছোলা বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছে। তবে ওই পণ্যের দাম কিভাবে পরিশোধ করা হবে, সেটা নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

কারণ নিষেধাজ্ঞার কারণে রাশিয়ার সঙ্গে এরই মধ্যে লেনদেনে বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই রাশিয়ার সঙ্গে সরাসরি লেনদেন করা যাচ্ছে না।

এ সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি বৈশ্বিক পরিস্থিতি ও ভূ-রাজনীতি বিশেষ গুরুত্ব পাবে। বিশেষ করে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরে আন্তর্জাতিক ইস্যুগুলোর মধ্যে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেশ কয়েকবার যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। সেই আলোকেই বাংলাদেশ তার অবস্থান তুলে ধরতে পারে। আঞ্চলিক ইস্যু হিসেবে উঠতে পারে রোহিঙ্গা সংকট।

পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন সাংবাদিকদের বলেন, রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে খাদ্য, সার ও জ্বালানির মতো বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের যে সমস্যা আছে আমরা তা তুলে ধরব।

কালের কণ্ঠ

নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যদের মনোনয়ন নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, “AL ticket for JS polls: 90 MPs may be left out over controversies” অর্থাৎ “জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের টিকিট: বিতর্কে বাদ পড়তে পারেন ৯০ জন এমপি”।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আওয়ামী লীগের প্রায় ৯০ জন সংসদ সদস্য, যারা কিনা ২৬১ জন এমপির প্রায় এক তৃতীয়াংশ- তাদের অপকর্ম এবং ক্রমবর্ধমান অজনপ্রিয়তার কারণে আগামী সাধারণ নির্বাচনের মনোনয়ন থেকে বাদ পড়তে পারেন। দলীয় সূত্রের বরাতে এমন খবর প্রকাশ করেছে দ্য ডেইলি স্টার।

দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় ভিন্নমতাবলম্বীদের পৃষ্ঠপোষকতা দেয়া, নির্বাচনী এলাকার সাথে যোগাযোগ না রাখা এবং দলীয় নেতাদের চাইতে নিজের গোষ্ঠীর প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করা তাদের বিতর্কিত হওয়ার মূল কারণ।

এরমধ্যে চট্টগ্রাম, বরিশাল ও উত্তরাঞ্চলের সাংসদরা অন্য যেকোনো অঞ্চলের চেয়ে সবচেয়ে বেশি দলের আনুকূল্য হারিয়েছেন।

আগামী নির্বাচনে বিতর্কিতদের পরিবর্তে তরুণ, জনপ্রিয় ও নিবেদিতপ্রাণ নেতারা দলীয় টিকিট পাবেন। দলের সেবা করার দীর্ঘ ইতিহাস থাকা সাবেক সংসদ সদস্যরাও মনোনয়ন পাবেন।

রেমিট্যান্স নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, “যুক্তরাষ্ট্র থেকে রেমিট্যান্স প্রায় ৫০ শতাংশ কমেছে” প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, এক বছরের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্র থেকে রেমিট্যান্স প্রবাহ ৪৮ দশমিক ৭৩ শতাংশ কমেছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে উঠে এসেছে।

রেমিট্যান্স প্রবাহের দিক থেকে শীর্ষ তালিকার দ্বিতীয় স্থানটি টানা তিন বছর দখলে রেখেছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু জুলাই ও আগস্টে এসে তা চতুর্থ স্থানে নেমে গেছে।

লতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই ও আগস্ট) দেশটি থেকে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৭ কোটি ২ লাখ ডলার। যেখানে গত অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ৭২ কোটি ২০ লাখ ডলার।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে হঠাৎ রেমিট্যান্স প্রবাহে বড় পতনের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানাতে পারেননি বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

যদিও যুক্তরাষ্ট্র ও ঢাকার একাধিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরে দেশটি থেকে আসা রেমিট্যান্সের উল্লেখযোগ্য অংশ ছিল বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের টানাপড়েনের কারণে প্রভাবশালীদের একটি অংশ দেশটিতে পাচার করা অর্থ অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছিলেন। এর একটি অংশ রেমিট্যান্স হিসেবে বাংলাদেশে এসেছে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে বেশ কড়াকড়ি আরোপ করেছে। এ কারণে পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনার পথও অনেকটাই সংকুচিত হয়ে এসেছে, যা দৃশ্যমান হচ্ছে রেমিট্যান্সে বড় পতনের মাধ্যমে।

ডেইলি স্টার

ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার খবর, “Modi-Hasina Meet: Food import, CEPA to feature high on agenda” অর্থাৎ “মোদি-হাসিনা বৈঠক: খাদ্য আমদানি, সিইপিএ এজেন্ডার শীর্ষে থাকবে”

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, শেখ হাসিনা দিল্লিতে পৌঁছানোর কয়েক ঘণ্টা পরেই মোদির সরকারি বাসভবনে তাদের দ্বিপাক্ষীক বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে।

গত কয়েক বছর ধরে, বাংলাদেশ সাতটি প্রয়োজনীয় পণ্যের নিশ্চিত সরবরাহের জন্য ভারতের সাথে আলোচনা করে আসছে এবং এই বিষয়ে এবারও আলোচনার কথা রয়েছে।তদুপরি, সিইপিএ ইস্যুটিও এজেন্ডায় রয়েছে।

প্রস্তাবিত সিইপিএ-এর মূল লক্ষ্য হল বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস করা এবং যোগাযোগ, নতুন বাজার এবং সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বসহ নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ উন্মুক্ত করা।

নিউ এইজের প্রথম পাতার খবর, “BNP, allies to hold mass processions in Dhaka Saturday” অর্থাৎ “শনিবার ঢাকায় বিক্ষোভ মিছিল করবে বিএনপি ও জোট”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিএনপি বুধবার ঘোষণা করেছে যে তারা সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করতে দলের এক দফা যুগপত আন্দোলনের অংশ হিসেবে শনিবার ঢাকায় গণ মিছিল করবে।

বুধবার রাতে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, সোমবার রাতে কার্যত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওইদিন ঢাকার দক্ষিণ ও উত্তর সিটি ইউনিটের পক্ষ থেকে গণ মিছিল বের করা হবে।

বিএনপির ঢাকা দক্ষিণ মহানগর শাখার আহ্বায়ক আবদুস সালাম অবশ্য জানান, শনিবার বিকেলে দলের ঢাকা শাখার দুটি ইউনিট পৃথক মিছিল বের করবে এবং সেগুলো শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে নয়া পল্টনে গিয়ে শেষ হবে। এটি হবে বিরোধী দলগুলোর এক দফা আন্দোলনের ষষ্ঠ কর্মসূচি।

মানবজমিনের প্রথম পাতার খবর, “ড. ইউনূসের গ্রামের বাড়িতে পুলিশ”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামের বাড়িতে পুলিশ সদস্যের যাওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

গত ৩১শে আগস্ট এই অর্থনীতিবিদের চট্টগ্রামের হাটহাজারীর নজুুমিয়া হাটের বাড়িতে যান এক পুলিশ পরিদর্শক। তিনি স্থানীয়দের কাছ থেকে ড. ইউনূস এবং তার পরিবারের সদস্যদের ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করেন।

কথা বলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ভাইয়ের সঙ্গেও। ড. ইউনূসের ভাই মাঈনুল ইসলাম এবং স্থানীয়রা মানবজমিনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। যদিও হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তা অস্বীকার করেছেন।

ইত্তেফাক

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের (স্পারসো) চেয়ারম্যান মো. আব্দুস সামাদকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।

নানা আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে তাকে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে গত মঙ্গলবার এ তথ্য জানানো হয়।

তবে স্পারসোর নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে কাউকে নিয়োগ দেয়া হয়নি।

মহাকাশবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান হলেও সংস্থাটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন একজন কৃষিবিদ। যদিও বিশ্বের অন্যান্য দেশে মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব দিচ্ছেন জ্যোতির্বিদরা।

একজন কৃষিবিদ ও প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাকে এমন বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান করায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তার দক্ষতা ও যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অনেকে। নানামুখী আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই আব্দুস সামাদকে সংসদ সচিবালয়ে বদলি করা হলো।

মানবজমিনের প্রথম পাতার খবর, “রক্তের জন্য হন্যে হয়ে ঘুরছেন স্বজনেরা”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গুরুতর ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসায় প্রয়োজন হচ্ছে প্লাটিলেট। রক্ত জোগাড়ে রাত-দিন হন্যে হয়ে ছুটছেন স্বজনরা। এতে চাপ বাড়ছে ব্লাড ব্যাংকগুলোতে।

গত ৩ মাস ধরে ব্লাড ব্যাংকগুলোতে গ্রাহকের চাপ বেড়েছে দ্বিগুণ-তিনগুণ। চাহিদা অনুযায়ী রক্তদাতা পাচ্ছে না ব্লাড ব্যাংকগুলো।

অনেক গ্রহীতারা রক্ত না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। এদিকে ব্লাড ব্যাংকের কর্মীদের চোখে নেই ঘুম। কর্মঘণ্টা বাড়িয়ে রাত-দিন পরিশ্রম করছেন রক্ত সংগ্রহে। রাজধানীর কয়েকটি

ব্লাড ব্যাংকে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, রক্তের জন্য ব্লাড ব্যাংকে গ্রাহকদের ভিড়। প্রতিদিন অনেকে ফোন করছেন আবার কেউ সরাসরি ব্লাড ব্যাংকগুলোতে ছুটে আসছেন।

রক্ত গ্রহীতাদের মধ্যে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। একজন রোগীর জন্য ষোলো ব্যাগ পর্যন্ত রক্তের প্রয়োজন হচ্ছে।

এক একটি ব্লাড ব্যাংকে প্রতিদিন পঞ্চাশ থেকে সত্তরজন রোগীর জন্য রক্ত চাওয়া হচ্ছে। অন্য সময়ের চেয়ে কয়েকগুণ চাহিদা বেড়েছে রক্তের।

পূর্বের খবরব্রিকসের সদস্য হতে না পারা বাংলাদেশের বড় ব্যর্থতা নয়
পরবর্তি খবরজি২০ সম্মেলন কী? বিশ্ব নেতারা কেন দিল্লিতে বৈঠকে বসছেন?