পুলিশের মারমুখী আচরণে উত্তাল আইনাঙ্গন

99

ঢাকাঃ পুলিশি অ্যাকশন সুপ্রিম কোর্ট থেকে ঢাকা বার পদযাত্রায় আইনজীবী-পুলিশ সংঘর্ষে আহত অর্ধশত। সুপ্রিম কোর্ট বার থেকে ঢাকা বার। পুলিশের লাঠিচার্জ থেমে নেই। ধারাবাহিক কর্মসূচিতে আক্রমণের পর আক্রমণ হেনে আইনজীবীদের রক্তাক্ত করেই চলেছে। প্রতিবাদকারী আইনজীবীদের নাম দেয়া হয়েছে ‘বিএনপিপন্থি আইনজীবী’। তাই যেখানেই এই আইনজীবীরা প্রতিবাদেমুখর হচ্ছেন সেখানেই হামলে পড়ছে পুলিশ। অব্যাহত আক্রমণে রক্তাক্ত করেই চলেছে। সুপ্রিম কোর্টে এখন চলছে শরৎকালীন ছুটি। আইনজীবীদের উপস্থিতি কমে আসায় সুপ্রিম কোর্ট বারে প্রতিবাদের মাত্রাও ক্ষীণ হয়ে এসেছিল। কিন্তু গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা বারে দ্বিগুণ উত্তাপে প্রজ্বলিত হয়ে ওঠে প্রতিবাদের আগুন। দাবি একটাই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ। এক দফা দাবিতে শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা কর্মসূচি ছিল ঢাকা বারের আইনজীবীদের। হামলা চালিয়ে কর্মসূচি ভ-ুলের চেষ্টা চালায় পুলিশ। সশস্ত্র পুলিশি তা-বে রক্তাক্ত হয়েছেন অন্তত অর্ধশত নিরস্ত্র প্র্যাক্টিসিং আইনজীবী। গুরুতর আহতদের মধ্যে রয়েছেনÑঅ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান, অ্যাডভোকেট দেওয়ান রিপন, অ্যাডভোকেট মোজাহিদুল ইসলাম সাযেম, অ্যাডভোকেট কে এম মিরাজ হোসেন, অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান সোহাগ, অ্যাডভোকেট কে এম বরকত সবুজ, অ্যাডভোকেট মাহবুব আলম আক্তার, অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট হাজী মো: মহসীন, অ্যাডভোকেট কাজী পনির ও এস এম হুমায়ুন কবির। তবে আইনজীবীদের ইটপাটকেলে ৫/৬ পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে পুলিশ।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠাসহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে গতকাল মঙ্গলবার পদযাত্রা কর্মসূচি পালনের উদ্যোগ নেন ইউনাইটেড ল’ইয়ার্স ফ্রন্ট (ইউএলএফ) নামের সরকারবিরোধী আইনজীবী জোট। এ সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত ১৬ জন আইনজীবী আহত ও রক্তাক্ত হন। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে আইনজীবীদের আক্রমণে কোতোয়ালি জোনের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মুহিত সেরনিয়াবাতসহ ৫/৬ জন সদস্য আহত হয়েছেন মর্মে দাবি করা হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা আইনজীবী সমিতির মূল ফটকের সামনে এ সংঘর্ষ হয়।

ঢাকা বারের আইনজীবীরা ‘ইউএলএফ’র ব্যানারে পদযাত্রা শুরু করে। দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সামনে থেকে শুরু হয় এ পদযাত্রা। পরে মিছিলটি আদালতের সামনের প্রধান সড়কে এলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় আইনজীবীরা রাস্তায় বসে পড়েন। তখন পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা চালায়। একপর্যায়ে শুরু করে লাঠচার্জ।

পরে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে তারা সিএমএম আদালতের প্রধান ফটকে অবস্থান নেন আইনজীবীরা। এ সময় পুলিশ-আইনজীবী ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। সেখান থেকে সিএমএম আদালতে প্রবেশ করতে গেলে পুলিশ আইনজীবীদের পথ রোধ করে দাঁড়ায়। এ সময় সেখানে প্রচ- ধাক্কাধাক্কি হয়। পরে পুলিশ প্রধান ফটক খুলে দেয়। আইনজীবীরা সিএমএম আদালতের সামনে অবস্থান নিয়ে সরকারবিরোধী স্লোগান দিতে থাকেন। কিছুক্ষণ অবস্থান করে তারা সেখান থেকে ঢাকা আইনজীবী সমিতি ভবনের সামনে জড়ো হন। এ সময় বিভিন্ন পর্যায়ের আইনজীবী নেতারা বিক্ষোভ সমাবেশ করেন।
সমাবেশে বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, এটা আমাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি ছিল। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করছিলাম। প্রধানমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী এবং অ্যাটর্নি জেনারেলের নির্দেশে পুলিশ বাহিনী আইনজীবীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এ হামলা শুধু আইনজীবীদের ওপর হামলা নয়। আইনের শাসন, মানবাধিকারের ওপর হামলা। আমরা এই হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। আইনজীবীরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, যতদিন পর্যন্ত সরকারের পতন না হবে ততদিন তারা ঘরে ফিরে যাবে না।

বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, আইনজীবীদের ওপর আক্রমণ করেছে জঙ্গির মতো। নির্বিচারে তারা আইনজীবীদের পেটালো, যা জঙ্গিদেরও হার মানিয়েছে। তারা আইনজীবী বোনদের টর্চার করেছেন। গায়ে হাত দিয়েছেন। সবাই এডিসি হারুন হতে চায়।

তিনি বলেন, আমাদের কর্মসূচি ছিল শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা। কোর্ট থেকে বের হলে পুলিশ জঙ্গির মতো ঝাঁপিয়ে পড়ল। আইনে তো জঙ্গির ডেফিনেশন নেই। পুলিশের দুই রকম বিচার।
ব্যারিস্টার খোকন বলেন, এডিসি হারুন ছাত্রদের মারল। তারপর সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবীদের ওপর হামলা করল। বিচার হয়নি। অথচ দুইজন ছাত্রলীগের কর্মীকে মারায় বরখাস্ত করা হয়েছে। সরকারি দলের দুইজন আহত হওয়ায় এডিসি হারুনকে বরখাস্ত করা হয়। অথচ হাজারো মানুষের ওপর হামলা করেছেন তার কোনো বিচার নেই।

এদিকে আইনজীবীদের ওপর পুলিশের হামলার বিষয়টি অস্বীকার করে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর বলেন, বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা ছিলেন সহিংস। তারা আমাদের ওপর আক্রমণ করেছেন। পুলিশের বেশ ক’জন সদস্য আহত হয়েছে। তবুও পুলিশ সদস্যরা চরম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে। তিনি বলেন, পুলিশ প্রথম হামলা চালায়নি। আইনজীবীরা সাধারণত আদালত কম্পাউন্ডের ভেতর মিটিং-মিছিল করে। এবারই তারা রাস্তায় নেমে আসেন। আইনজীবীরা রাস্তা অবরোধ করে অবস্থান নিলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তাদের সরে যেতে বলা হয়। কিন্তু তারা জোরপূর্বক মিছিল নিয়ে এগিয়ে যান। এ সময় কোনো কোনো অতিউৎসাহী আইনজীবী পুলিশের ওপর ইটপাটকেল ছোড়েন। তাদের হামলায় আমাদের চারজন আহত হয়েছেন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

পুলিশের লালবাগ জোনের ডিসি জাফর হোসেন বলেন, আইনজীবীরা আমাদের পুলিশের ওপর হামলা করেছে। আহতরা হলেনÑ এডিসি মুহিত কবির সেরনিয়াবাত, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর রহমান, এএসআই বসির ও কনস্টেবল হারুন। তিনি বলেন, পুলিশ ধৈর্যশীলতার পরিচয় দিয়েছে। আমাদের চারজন পুলিশ আহত হয়েছেন। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

পুলিশি অ্যাকশন : সুপ্রিম কোর্টবার থেকে ঢাকা বার : সরকারবিরোধী আন্দোলনে আইনজীবীদের ওপর পুলিশের হামলার প্রথম উন্মত্ত প্রকাশ ঘটে গত ১৫ মার্চ। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের অভিযোগ ছিল, ভুয়া ব্যালট ছাপিয়ে বাক্স ভরে আওয়ামী লীগ ঘোষিত পুরো প্যানেলকে জয়ী করার জন্য একতরফা ভোট দেখিয়ে সুপ্রিম কোর্ট বার দখল করেছে আওয়ামী লীগ। তাদের দাবি ছিল নতুন নির্বাচন কমিশনের অধীনে সুপ্রিম কোর্ট বারের ভোট গ্রহণ। ১৫-১৬ মার্চ দুই দিনব্যাপী নির্বাচন হয়। ওই নির্বাচনে বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা ভোটে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকে। ব্যুথ দখল করে ভোট গ্রহণের দৃশ্য ধারণ করতে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করেন কর্তব্যরত সাংবাদিকরা। তখন সাংবাদিকদের পিটিয়ে বের করে দেয় পুলিশ। এতে অন্তত ১০ সাংবাদিক আহত হন। ঘটনাস্থলে দায়িত্বরত তৎকালীন এডিসি মো: হারুন সাংবাদিকদের বেধড়ক পিটিয়ে আহত করেন। এ সময় অনেক বিএনপিপন্থি আইনজীবী আহত হন।

প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিকরা জানিয়েছিলেন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি নির্বাচনের ভোটকেন্দ্র শহীদ শফিউর রহমান অডিটোরিয়ামে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের দাবিতে বিক্ষোভ করছিলেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। তাদের অডিটোরিয়াম থেকে বের করে দেয়ার জন্য সেখানে প্রবেশ করেন বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য। তারা সেখানে প্রবেশ করে বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের ওপর লাঠিচার্জ করেন। এ ঘটনার ছবি ও ভিডিও ফুটেজ নিচ্ছিলেন সাংবাদিকরা। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অতর্কিতভাবে সাংবাদিকদের মারধর ও লাঠিচার্জ শুরু করে পুলিশ।

বিচারাঙ্গনে পুলিশি হামলার সূত্রপাত সেদিনই। এরপর বিনাভোটে আওয়ামী লীগপন্থি আইনজীবীদের দ্বারা সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি দখলকে কেন্দ্র করে একের পর এক কর্মসূচি পালন করেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। ‘নতুন কমিটি’ দায়িত্ব গ্রহণের দিন সুপ্রিম কোর্ট বারে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ‘নির্বাচিত কমিটি’র নেতাদের উদ্দেশে পচা ডিম ছোড়া হয়। এরপর ওই দিন বিএনপিপন্থি আইনজীবী ও পুলিশের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সুপ্রিম কোর্ট বার আয়োজিত ইফতার মাহফিলে ভাঙচুর হয়। পরে দফায় দফায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। প্রতিটি ঘটনার পর কখনও সুপ্রিম কোর্ট বার প্রশাসন, কখনও পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে। এসব মামলায় বিএনপিপন্থি সিনিয়র আইনজীবী নেতাসহ ২০-৩০ জন করে আসামি করা হয়।

সুপ্রিম কোর্ট বারে চলমান আন্দোলনের সর্বশেষ গত ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি নিজেদের ‘শপথবদ্ধ রাজনীতিবিদ’ দাবি করায় তার পদত্যাগ চাওয়া হয়। ওই বিচারপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ চাওয়া হয়। এ ছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞার আদেশ বহাল রাখার আদেশকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে সুপ্রিম কোর্ট অঙ্গন। এ সময় আওয়ামী লীগপন্থি আইনজীবীরাও পাল্টা কর্মসূচি পালন করতে শুরু করেন। মুখোমুখি অবস্থানের একপর্যায়ে গত ৩০ আগস্ট সুপ্রিম কোর্ট আদালত প্রাঙ্গণে মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধের আদেশ অনুসরণের নির্দেশ দেন। অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিনউদ্দিন জানান, আপিল বিভাগ এই মর্মে আদেশ দিয়েছেন যে, আদালত প্রাঙ্গণে মিছিল-সমাবেশ নিয়ে হাইকোর্টের ইতঃপূর্বের যে আদেশ রয়েছে, সেটি যেন কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়। এ আদেশের দিনই বিক্ষোভ মিছিল করেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। এ ঘটনায় বিএনপিপন্থি নেতাদের বিরুদ্ধে নতুন করে আদালত অবমাননা মামলা হয়। তবে সব মামলায়ই জামিন পান বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। আগামী ১৯ অক্টোবর আদালত অবমাননার মামলাটি আপিল বিভাগে শুনানির তারিখ রয়েছে। এরই মধ্যে দেড় মাসের শরৎকালীন অবকাশ শুরু হয় সুপ্রিম কোর্টে। ফলে সুপ্রিম কোর্ট বারভিত্তিক আন্দোলন আপাতত মিইয়ে যায়। তবে ঢাকা বারে আইনজীবীদের ওপর পুলিশি হামলা আইনাঙ্গনকে আবারও উত্তাল করে তুললো।

মির্জা ফখরুলের নিন্দা : শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা কর্মসূচি পালনকালে আইনজীবীদের ওপর পুলিশি হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
গতকাল মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশ এখন ভয়াবহ দুঃশাসনের যাঁতাকলে পিষ্ট। আজ আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবীদের শান্তিপূর্ণ মিছিলের ওপর সরকারি মদদে পুলিশ হামলা চালিয়েছে। এর মাধ্যমে সরকার আবারও এক ঘৃণ্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করল। আইনকে হাতের মুঠোয় নিয়ে পুলিশ বাহিনী পুরো দেশটাকে রক্তাক্ত জনপদে পরিণত করেছে। সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী আইনজীবীদের ওপর নগ্ন হামলায় অবৈধ সরকার এক অশুভ বার্তা জানান দিলো।

তিনি আরো বলেন, সরকারের পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গেছে। জনসমর্থনহীন এ সরকার হিতাহিত বিবেচনাহীন। অন্তহীন ক্ষমতার জন্য এরা জনগণের বদলে সন্ত্রাসকেই ভরসা করছে বেশি। আদালত প্রাঙ্গণেই যদি দেশের আইনজীবীদের ওপর হামলা হয় তাহলে অন্যত্র কী পরিস্থিতি হতে পারে, সে ভাবনা দেশবাসীকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।

বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব আরো বলেন, পুলিশ এখন শুধু বিএনপিসহ বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদেরই নয়, তারা এখন টার্গেট করেছে বিএনপিপন্থি আইনজীবীদেরও। আইনজীবীদের কণ্ঠে প্রতিবাদী আওয়াজ উচ্চারিত হয়। আর এতে সরকারের ভিত নড়ে ওঠে বলেই আজ আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালানো হলো।

পূর্বের খবরডিজিটাল ছাড়া আগের পদ্ধতিতে হওয়া সব ভূমি জরিপ বাতিল: ভূমিমন্ত্রী
পরবর্তি খবরদেশে ডেঙ্গুর এই মৃত্যুর মিছিল আর কতদিন চলবে?