দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির কথা তুললে সরকার বিরক্ত হচ্ছে: সুলতানা কামাল

70

দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি খুবই খারাপ বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা সুলতানা কামাল। তিনি বলেন, ‘মানবাধিকারের কথা তুললে সরকার বিরক্ত হচ্ছে। যাঁরা মানবাধিকারের কথা বলছেন, তাঁদের বৈরিতার জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রাষ্ট্র ও মানবাধিকারকর্মীদের মুখোমুখি দাঁড় করানো হচ্ছে।’

আজ রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ২০২৩: এমএসএফের পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে সুলতানা কামাল এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)।

সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন এমএসএফের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সুলতানা কামাল। দেশের গত এক বছরের মানবাধিকার পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের দায়িত্ব মানবাধিকারের প্রতি সম্মান করা, সুরক্ষা দেওয়া এবং মানবাধিকারবোধ বাস্তবায়ন করা। গত এক বছরে এসব ব্যাপারে রাষ্ট্র মনোযোগী ছিল না। যখনই মানবাধিকারের কথা উঠেছে, তারা আত্মরক্ষামূলক কথা বলেছে।

মানবাধিকার সুরক্ষায় যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি জানিয়ে সুলতানা কামাল বলেন, মানবাধিকারের প্রতি সম্মান করা হয়নি। মানবাধিকারবোধ সঞ্চারে সরকার বুদ্ধিবৃত্তিক পদক্ষেপ নেয়নি। সরকারের আচরণ দেখলে মনে হয়, মানবাধিকারের বিষয়গুলো তারা গুরুত্বপূর্ণভাবে নিচ্ছে না৷ তিনি আরও বলেন, সরকার মনে করছে, শুধু অবকাঠামো উন্নয়ন হলেই যথেষ্ট। মানুষের মনমানসিকতা, মানবাধিকারবোধ উন্নয়নে যেন তাদের দায়িত্ব নেই।

সংবাদ সম্মেলনে ‘বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ২০২৩: এমএসএফের পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন এমএসএফের প্রধান নির্বাহী সাইদুর রহমান।

পূর্বের খবরবাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ পেছালো ৭৬!
পরবর্তি খবরদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঠেকাতে জাতিসংঘকে চিঠি দিয়েছে বিএনপি