ঢাকা-১৮ আসনে জরিপে বীরমুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হোসেনের ট্রাক মার্কার জয় সুনিশ্চিত

44

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগামীকাল ৭ জানুয়ারী রোজ রোববার দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা -১৮ আসনের স্বতন্ত্র পদপ্রার্থী এবং ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামীলীগের মুক্তিযুদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা এস, এম, তোফাজ্জল হোসেন (ট্রাক মার্কা) নির্বাচনে ভোটযুদ্বে এগিয়ে আছেন বলে মনে করছেন সাধারন মানুষ, ভোটার ও এলাকাবাসি। ভোটার ও সাধারন মানুষের ভাবনা, শেষ মুহুত্বে অন্যান্য প্রার্থীদের তুলনায় ট্রাক জয়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে।

তোফাজ্জল হোসেন বলেন, আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে ঢাকা-১৮ আসনকে একটি আধুনিক ও স্মার্ট নগরী হিসাবে গড়ে তুলবো। এছাড়া আমি জনগণের সেবক হয়ে কাজ করতে চাই। এই আসন জনগণের মতামতের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে, যেখানে থাকবে না কোনো সন্ত্রাস, মাদক ও চাঁদাবাজ। আমি জনগণের সেবক হতে চাই। আমার অঙ্গীকার।

তিনি বলেন, আমি এমপি নির্বাচিত হলে ঢাকা-১৮ আসনের নাগরিকদের সিটি কর্পোরেশনের নিকট থেকে প্রাপ্য সকল সুযোগ-সুবিধা সুনিশ্চিত করা হবে। জরুরি ভিত্তিতে ড্রেনেজ ও পয়ঃনিষ্কাশনের পদক্ষেপ গ্রহণ, রাস্তা উন্নয়ন, নির্মাণ ও সংস্কার করা, সুপেয় পানি সরবরাহের ব্যবস্থা উন্নয়ন ও গ্যাস প্রবাহ সমস্যার সমাধান করা হবে। মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবায়ন ও দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি প্রদান করা হবে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের উন্নয়ন ও বিনামূল্যে ওয়ার্ডভিত্তিক ধর্মীয় শিক্ষা প্রদান করা হবে। মাদক, সন্ত্রাস, ঘুষ ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডে কমপক্ষে একটি করে খেলার মাঠ নির্মাণ, মাদক থেকে দূরে থাকার জন্য শিশু, কিশোর ও যুবকদের মাঝে ক্রীড়া সরঞ্জাম প্রদান করা হবে। চিকিৎসা ব্যবস্থা উন্নয়ন, দরিদ্রদের মাঝে চিকিৎসা সহায়তা ও স্বাস্থ্য ক্যাম্পের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা প্রদান। কারিগরী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার মাধ্যমে বেকার যুব সমাজের বেকারত্ব দূরীকরণ করা হবে। ঢাকা-১৮ সংসদীয় আসনে একটি বয়স্ক পূর্নবাসন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হবে। অঞ্চলভেদে প্রয়োজনীয়তার নিরিক্ষে সরকারি হাসপাতাল ও কবরস্থান নির্মাণ করা হবে। ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির, স্কুল, কলেজ, স্থাপন ও উন্নয়নে কাজ করা হবে।
সেক্টর কল্যাণ সমিতিগুলোতে নিয়মিত নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচনের সু-ব্যবস্থা করা হবে। মশক নিধন অভিযান জোরালো করা হবে। কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এস, এম তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ২০১৬ সালে দক্ষিণখান ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত হলেও কাঙ্খিত উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। অধিকাংশ সড়ক ভাঙাচুড়া। সামন্য বৃষ্টিতেই জমে হাঁটুপানি। ড্রেনেজ ব্যবস্থাও খুব খারাপ। আছে অপরিচ্ছন্নতা ও মশার যন্ত্রণা। আমি এমপি নির্বাচিত হলে সর্বাগ্রে এ সব সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করব।সব ধরনের চ্যালেঞ্জ নিয়েই নির্বাচনে নেমেছি। সাধারণ মানুষের মাঝেই আছি। কোনো অপশক্তি জনগণ থেকে আমাকে বিচ্ছিন্ন করতে পারবে না।

প্রতিটি ওয়ার্ডে কমপক্ষে একটি করে খেলার মাঠ নির্মাণ করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, মাদক থেকে দূরে থাকার জন্য শিশু, কিশোর ও যুবকদের মধ্যে ক্রীড়া সরঞ্জাম প্রদান করা হবে। চিকিৎসা ব্যবস্থা উন্নয়ন, দরিদ্রদের মধ্যে চিকিৎসা সহায়তা ও স্বাস্থ্য ক্যাম্পের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা প্রদান। কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার মাধ্যমে বেকার যুব সমাজের বেকারত্ব দূরীকরণ করা হবে। ঢাকা-১৮ সংসদীয় আসনে একটি বয়ষ্ক পুর্নবাসন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হবে। অঞ্চলভেদে প্রয়োজনীয়তার নিরীক্ষে সরকারি হাসপাতাল ও কবরস্থান নির্মাণ করা হবে। ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির, স্কুল, কলেজ, স্থাপন ও উন্নয়নে কাজ করা হবে।

 

পূর্বের খবর‘ভারতের চোখ কী বাংলাদেশের নির্বাচনের পরবর্তী পরিবেশ’
পরবর্তি খবরবাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে যা বলছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম