প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে একাত্তরে মহান শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা মোনাজাতে অংশ নেন।

এরপর মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের নিয়ে আবারও স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন তারেক রহমান। সেখান থেকে তিনি সরাসরি চলে আসেন শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে প্রথমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এবং পরে তার মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের নিয়ে আবারও শ্রদ্ধা জানান। পরে প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা মোনাজাতে অংশ নেন।

স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেছেন নব-নিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি সকলে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় স্মৃতিসৌধে মহান শহীদদের ফুলের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে তিনি স্বাক্ষর করেন।
পরিদর্শন বইয়ে তারিখের জায়গায় বাংলায় আজকের ১৮-২-২০২৬ তারিখ লেখেন তারেক রহমান। পদবীর জায়গায় তিনি লেখেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
আর মন্তব্যের ঘরে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ফ্যাসিবাদী শাসন শোষণের পর একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রকামী জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়ে দেশের জনগণ গণতন্ত্রের পথে নতুন যাত্রা শুরু করেছে। আলহামদুলিল্লাহ। আমি আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জানাই।
তিনি লেখেন, বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নবগঠিত মন্ত্রীসভাসহ আমি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করছি যাদের আত্মত্যাগে আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধসহ দেশের ইতিহাসে এ যাবৎ কালে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের সকল শহীদদের প্রতিও আমি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।

প্রধানমন্ত্রী আরও লেখেন, আমি এবং আমরা বিশ্বাস করি শহীদদের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি নিরাপদ মানবিক গণতান্ত্রিক স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা। শহীদদের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্যই আমরা কাজ শুরু করেছি। আল্লাহ যেন আমাদের জনগণের সামনে ঘোষিত প্রতিটি কর্মসূচি বাস্তবায়নের তৌফিক দান করুন। আমি আবারও আল্লাহর দরবারে সকল শহীদদের মাগফিরাত কামনা করছি।
এ সময় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নবনির্বাচিত মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।





