গণমাধ্যমে গ্রাহকের অসত্য তথ্য দেওয়ার অভিযোগ অগ্রণীর এমডির বিরুদ্ধে

28

‘অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুরশিদুল কবীর অনৈতিকভাবে গণমাধ্যমে অসত্য তথ্য প্রদান করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তার দেওয়া তথ্য ও বক্তব্যসহ গত ৫ জুলাই একটি জাতীয় দৈনিকে ‘ঋণ খেলাপিকে আরো ঋণ দেওয়ার উদ্যোগ অগ্রণী ব্যাংকের’ শিরোনামে একটি সংবাদ ছাপা হয়।গ্রাহকের তথ্য অগ্রণী ব্যাংকের এমডি নিজেই গণমাধ্যমে প্রকাশ করলেন - ENB TV  News | is the Bangladesh First Online Newspaper

ঢাকাঃ অগ্রণী ব্যাংকের এমডির বিরুদ্ধে একজন নিয়মিত গ্রাহকের মিথ্যা বানোয়াট তথ্য গণমাধ্যমে প্রদানে দাবী গ্লোবাল করপোরেশনের।

সংবাদে গ্লোবাল করপোরেশনস নামের প্রতিষ্ঠানের মালিক উল্লেখ করা হয়েছে সেলিম চৌধুরীর ও তার স্ত্রী নাহিদা চৌধুরী নাম। অথচ তাঁদের সঙ্গে এ প্রতিষ্ঠানের কোন সম্পর্ক নেই।

প্রতিষ্ঠানটির প্রকৃত স্বত্বাধীকারী মোস্তফা মাহমুদ হাসান নামের এক ব্যবসায়ী। তাছাড়া গ্লোবাল কর্পোরেশনও ঋণ খেলাপী নয়। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা মেনেই বিভিন্ন ব্যাংকের সঙ্গে ঋণ ব্যবস্থাপনা করছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, গত ১ এপ্রিল থেকে বিদ্যমান নিয়মিত মেয়াদি প্রকৃতির ঋণের (স্বল্পমেয়াদি কৃষি ও ক্ষুদ্রঋণসহ) বিপরীতে এপ্রিল-জুন সময়ের জন্য যে কিস্তি দিতে হবে, তার ৫০ শতাংশ পরিশোধ করলেই গ্রাহককে খেলাপি করা যাবে না।

অথচ গত ৫ জুলাই পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে গ্লোবাল কর্পোরেশনকে ‘ঋণ খেলাপি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘গ্লোবাল করপোরেশনসের নথিপত্র যাচাই ছাড়াই ৩৬ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে অগ্রণী ব্যাংক বনানী শাখা। ওই ঋণের মূল সুবিধাভোগী ঋণখেলাপি সেলিম চৌধুরী। আর ঋণের মূল জিম্মাদার সেলিম চৌধুরীর স্ত্রী নাহিদা চৌধুরী, যা সম্পূর্ন অসত্য তথ্য।

অগ্রণী ব্যাংকের এমডি মুরশিদুল কবীর উক্ত দৈনিক পত্রিকাকে বলেছেন, ‘গ্লোবাল কর্পোরেশনের পূর্বের ঋণের গ্যারান্টার সেলিম চৌধুরী একজন ঋণ খেলাপি তাই তাদেরকে নতুন করে ঋণ দেয়া যাবে না।’ অথচ গ্লোবাল কর্পোরেশনের শুরু থেকে একক স্বত্বাধিকারী মুস্তফা মাহমুদ হাসান। জনাব হাসান বলেছেন, গ্লোবাল কপারেশনের সঙ্গে সেলিম চৌধুরীর কোন সম্পর্ক নেই। তাছাড়া তিনি তাদের গ্যারান্টারও নন। এতে প্রমানিত, বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী অগ্রণী ব্যাংকের এমডি উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে গণমাধ্যমে অসত্য ও স্ববিরোধী বক্তব্য দিয়েছেন।

উক্ত প্রতিবেদনে বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যাক্তিত্ব সেলিম ওমরাও খানের নামও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে যুক্ত করা হয়েছে। তিনি দেশের একজন সৎ, মেধাবী ও খ্যাতিমান গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব। প্রকৃত তথ্য গোপন করে উক্ত দৈনিক পত্রিকা সেলিম ওমরাও খাঁনের সুনাম ক্ষুন্ন করেছেন।

এ বিষয়ে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরে গ্লোবার কর্পোরেশন গত ৬ জুলাই অগ্রণী ব্যাংকের বনানী শাখার উপ-মহাব্যবস্থাপক বরাবর চিঠি দিয়েছে। যার অনুলিপি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, ব্যাংকিং সচিব, অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান সহ সংশ্লিষ্টদের প্রদান করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির অনুরোধ, প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে উপযুক্ত তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

পূর্বের খবরবাংলাদেশে রাজনৈতিক বিক্ষোভ ঘিরে সহিংসতায় যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ
পরবর্তি খবরএফবিসিসিআই নির্বাচন পরিচালক পদে সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদের ১৫, ঐক্য পরিষদের ৮ জন নির্বাচিত