এফবিসিসিআই নির্বাচন পরিচালক পদে সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদের ১৫, ঐক্য পরিষদের ৮ জন নির্বাচিত

31

ঢাকাঃ দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) ২০২৩-২০২৫ মেয়াদের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে খাতভিত্তিক অ্যাসোসিয়েশনের ২৩ পদের মধ্যে সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদের ১৫ ও ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের ৮ জন পরিচালক পদে নির্বাচিত হয়েছেন।  নির্বাচিত পরিচালকদের ভোটে আগামী ২ আগস্ট এফবিসিসিআই সভাপতি, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ৬ সহ-সভাপতি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।এফবিসিসিআই-নির্বাচনে-সম্মিলিত-পরিষদের-১৫-জন-জয়ী-ঐক্য-পরিষদের-৮-আজ মঙ্গলবার ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে এফবিসিসিআই নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান এ. মতিন চৌধুরী নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন।

সংগঠনটির বার্তায় বলা হয়, নির্বাচিতদের মধ্যে সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ থেকে হাফেজ হাজী মোহাম্মদ এনায়েত উল্লাহ ১২৯৪, বিএম শোয়েব ১২৭৯, মীর নিজাম উদ্দিন আহমেদ ১২৫৭, সিরাজুল ইসলাম ১২৪৬, মো. সহিদুল হক মোল্যা ১২১৫, নিজাম উদ্দিন রাজেশ ১১৯১, মো. মুনতাকিম আশরাফ ১১৭৫, রাকিবুল আলম দীপু ৯৯২, মোহাম্মদ আফতাব জাভেদ ৯৬৬, মো. ইসহাকুল হোসেন সুইট ৮৯১, আমির হোসেন নূরানী ৮৫২, সৈয়দ মো. বখতিয়ার ৮৪০, তপন কুমার মজুমদার ৮৩৫, সালমা হোসেন অ্যাশ ৮৩১ ও হাজী মো. আবুল হাশেম ৮১৫ ভোট পেয়ে পরিচালক নির্বাচিত হন।

ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের নির্বাচিতদের মধ্যে কাওসার আহমেদ ১০৩০, খন্দকার রুহুল আমিন ৯৮৮, মো. আমিন হেলালী ৯১১, মো. নিয়াজ আলী চিশতী ৯০৯, আবু মোতালেব ৮৯৯, শমী কায়সার ৮৫২, রাশেদুল হোসেন চৌধুরী রনি ৮৩৭ ও হাফেজ হারুন ৮১৩ ভোট পেয়েছেন।

নির্বাচিত পরিচালকদের ভোটে আগামী ২ আগস্ট এফবিসিসিআই সভাপতি, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ৬ সহ-সভাপতি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় শুরু হয়ে নির্বাচন চলে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

এবারের নির্বাচনে খাতভিত্তিক অ্যাসোসিয়েশনে প্রাথমিকভাবে মোট ১ হাজার ৯৯০ ভোটার থাকলেও যাচাই-বাছাই শেষে ১ হাজার ৯৫৪ ভোটার ভোট দেওয়ার জন্য চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পান। সেই ভোটারদের মধ্য থেকে ভোট দেন ১ হাজার ৭৪৬ জন।

নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতির হার ছিল ৮৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

ভোট শেষে সোমবার বিকেল সোয়া ৫টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রেস ব্রিফিংয়ে অংশ নিয়ে এসব তথ্য জানান এফবিসিসিআই নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান এ. মতিন চৌধুরী। সে সময় নির্বাচন বোর্ডের অপর ২ সদস্য শামছুল আলম ও এম এন মঞ্জুরুল হক উপস্থিত ছিলেন।

এ. মতিন চৌধুরী বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। ভোটারদের এনআইডি কার্ড ও সই মিলিয়ে নিয়ে তারপর ভোট প্রদানে তাদের অনুমোদন করা হয়েছে। কোনো জাল ভোট হয়নি। সব ভোটারই সঠিক ছিলেন।’

‘তবে সামান্য কিছু অভিযোগ ছিল, সেগুলো দ্রুতই সমাধান করা হয়েছে,’ যোগ করেন তিনি।

নির্বাচনের পরিবেশ খুবই শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর ছিল বলেও জানান তিনি।

খাতভিত্তিক অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচিত ২৩ পরিচালক পদের বিপরীতে প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৪৯ প্রার্থী। তাদের মধ্যে ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ প্যানেল থেকে ২৩ জন, সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ প্যানেল থেকে ২৩ জন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ৩ পরিচালক প্রার্থী।

পূর্বের খবরগণমাধ্যমে গ্রাহকের অসত্য তথ্য দেওয়ার অভিযোগ অগ্রণীর এমডির বিরুদ্ধে
পরবর্তি খবরনাহিয়ান হারুন আ. লীগের শিল্প ও বাণিজ্য উপকমিটির সদস্য মনোনীত