ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কতটা শক্তিশালী?

18

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন পরিসরের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উন্মোচন করেছে ইরান, যা পশ্চিমাদের জন্য উদ্বেগের। এসব ক্ষেপণাস্ত্র তেহরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র।

মার্কিন জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ওই অঞ্চলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মালিক ইরান।

ইরানের স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ইরানের কাছে নয় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র আছে, যা ইসরায়েলে সরাসরি আঘাত হানতে সক্ষম।

এর মধ্যে রয়েছে সিজ্জিল নামের ক্ষেপণাস্ত্র, যা দুই হাজার পাঁচশ কিলোমিটার দূরে আঘাত হানতে পারে। দেশটির খাইবার ক্ষেপণাস্ত্র দুই হাজার কিলোমিটার, হাজ কাসেম এক হাজার চারশ কিলোমিটার দূরে আঘাত হানতে পারে।

ড্রোন নির্মাণের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ সফলতা দেখিয়েছে ইরান। গত আগস্টে ইরান উন্নত প্রযুক্তির ড্রোন তৈরির কথা জানায়। যেটি দুই হাজার কিলোমাটার দূরেও অপারেশন পরিচালনা করতে পারে।

ইরান জানিয়েছে তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও অন্যান্য সম্ভাব্য আঞ্চলিক লক্ষ্যগুলোর বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধ ও প্রতিশোধমূলক শক্তি।

ওয়াশিংটনভিত্তিক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা মূলত রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়াভিত্তিক। তাছাড়া এক্ষেত্রে তারা চীনের সহযোগিতাও পেয়েছে।

সল্প পরিসরেরও নানা ধরনের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে ইরানের। এর মধ্যে শাবাব-১ এর পরিসর ৩০০ কিলোমিটার। জোলফার এর পরিসর ৭০০ কিলোমিটার ও শাবাব-৩ এর পরিসর ৮০০ থেকে এক এক হাজার কিলোমিটার।

তাছাড়া পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম কেএইচ-৫৫ নামের ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে ইরানের হাতে, যা তিন হাজার কিলোমিটার দূরে আঘাত হানতে পারে। এছাড়াও দেশটির হাতে রয়েছে যুদ্ধজাহজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র।

পূর্বের খবরইসরায়েলি মালিকের পণ্যবাহী জাহাজ আটক করলো ইরান
পরবর্তি খবরঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে দুর্গম সীমান্তে বিজিবি ডিজি