আজ মার্কিন উপসহকারী মন্ত্রী মিরা রেজনিক, কাল যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা সংলাপ

123

আজ ঢাকায়আসছেন মার্কিন উপসহকারী মন্ত্রী মিরা রেজনিক। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিরাপত্তা সংলাপ কাল, বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র নবম নিরাপত্তা সংলাপ আগামীকাল মঙ্গলবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। সংলাপে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের রাজনৈতিক সামরিকবিষয়ক ব্যুরোর উপসহকারী মন্ত্রী মিরা রেজনিক। তিনি আজ সোমবার ঢাকায় এসে পৌঁছাবেন বলে জানা গেছে।

নিউজ২১ডেস্কঃ ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা সংলাপ একটি বার্ষিক বেসামরিক আয়োজন, যেখানে দুই দেশের নিরাপত্তা সম্পর্কের সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা ইন্দো-প্যাসিফিক আঞ্চলিক সমস্যা, নিরাপত্তা ও মানবাধিকার, সামরিক সহযোগিতা, শান্তিরক্ষা, নিরাপত্তা সহায়তা ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আলোচনা করবেন। এই সংলাপ দুই সরকারের মধ্যকার সর্বাঙ্গীণ নিরাপত্তা সম্পর্কের অংশ।

৫ সেপ্টেম্বর কাল মঙ্গলবার ঢাকায় নবম বার্ষিক যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা সংলাপের আয়োজন করেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশ। নিরাপত্তা সংলাপ একটি বার্ষিক, বেসামরিক আয়োজন যেখানে আমাদের নিরাপত্তা সম্পর্কের সমস্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা ইন্দো-প্যাসিফিক আঞ্চলিক সমস্যা, নিরাপত্তা ও মানবাধিকার, সামরিক সহযোগিতা, শান্তিরক্ষা, নিরাপত্তা সহায়তা, এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আলোচনা করবেন। এই সংলাপ আমাদের দুই সরকারের মধ্যেকার সর্বাঙ্গীন নিরাপত্তা সম্পর্কের অংশ। গতকাল ঢাকাস্থা মার্কিন দূতাবাস এ তথ্য জানায়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকবেন রাজনৈতিক সামরিক বিষয়ক ব্যুরোর ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মিরা রেজনিক। ঢাকার পক্ষে সংলাপে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা রয়েছে পররাষ্ট্র-সচিব মাসুদ বিন মোমেনের। যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের নিরাপত্তা বিষয়ক অংশীদারিত্ব অত্যন্ত শক্তিশালী এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে আমাদের দুইটি দেশের স্বার্থ অভিন্ন। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে মুক্ত, অবারিত, শান্তিপূর্ণ এবং সুরক্ষিত রাখার ক্ষেত্রে দেশ দুইটির দৃষ্টিভঙ্গি একই ধরনের। এই পারস্পরিক লক্ষ্যগুলো অর্জনে সারা বছর বিভিন্ন ধরনের সংলাপ আয়োজিত হয়।

এই বছরের নিরাপত্তা সংলাপটি ঢাকায় ২৩ এবং ২৪ আগস্ট অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সংলাপের খুব কাছাকাছি সময়ে আয়োজিত হতে যাচ্ছে। দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সংলাপে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশী সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বেসামরিক ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা সামরিক সম্পর্কের জন্য সুনির্দিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, যেমন সামরিক শিক্ষা, শান্তিরক্ষা এবং আগামী বছরের দুর্যোগে সাড়াপ্রদান বিষয়ক অনুশীলন এবং বিনিময়সহ আসন্ন সামরিক মহড়া নিয়ে আলোচনা করেন।

পূর্বের খবরসাংবাদিকদের সংবাদ লেখার জন্য গুগলের এআই টুল, শঙ্কায় মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রি
পরবর্তি খবরযুক্তরাষ্ট্রের চাপে বাংলাদেশ, চিন্তিত ভারত আর স্বার্থ হাসিলে ব্যস্ত চীন!